× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০২৪, শনিবার , ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ শওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

অদ্ভুত সব উসকানি

রকমারি


৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার

এই পৃথিবীতে কতই না উদ্ভট ঘটনা ঘটে৷ খুব ছোট ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারো কারো উসকানিতে বড় বড় যুদ্ধও বেঁধে গেছে৷ ছবিঘরে তেমনই কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরা হলো৷

একটি শূকরের জন্য
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ও ভ্যানকুভার দ্বীপের মাঝখানে স্যান জুয়ান দ্বীপ৷ ১৮৫৯ সালের ১৫ জুন এক মার্কিন চাষির ক্ষেত নষ্ট করে এক ব্রিটিশ কমর্র্কতার শূকর৷ তা দেখে একে গুলি করে মেরে ফেলেন সেই চাষি৷ আর যায় কোথায়? নানা উসকানির মধ্য দিয়ে এই দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত দুই পরাশক্তির মধ্যে যুদ্ধ প্রায় বাঁধিয়ে দিয়েছিল৷ এই যুদ্ধকে ‘পিগ ওয়ার’ বলা হয়৷

নিকা রায়ট
খ্রিস্টপূর্ব ৫৩২ অব্দ৷ কনস্টান্টিনোপলে তখন রথের রে এতই জনপ্রিয় যে, হুলিগান সমর্থকরা প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত হতেন৷ একবার সম্রাট ইয়ুস্টিনিয়ান এদের বর্বরতম দুই গ্রুপ ব্লুজ ও গ্রিনসদের দুই সদস্যকে দেয়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশ তুলে নেয়ার দাবি ফিরিয়ে দেন৷ তখন দুই দল একত্রিত হয়ে ভয়ংকর মাতম শুরু করে৷ এমনকি চেষ্টা হয় নতুন সম্রাট ঘোষণার৷ পরে অবশ্য তা সামাল দেন সম্রাট৷ তবে সেজন্য ৩০,০০০ মানুষকে হত্যা করতে হয় তাকে৷

বিপথগামী কুকুরের জন্য
অদ্ভুত কারণে সংঘাতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ এই যুদ্ধ৷ গ্রিস ও বুলগেরিয়ার মধ্যে বৈরি সম্পর্ককে যুদ্ধের দোরগোড়ায় নেয়ার উসকানি এসেছে এখান থেকেই৷ ১৯২৫ সালের এই দিনটিতে এক গ্রিক সৈন্য তাঁর বিপথগামী কুকুরের পেছনে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বুলগেরিয়া সীমান্তে ঢুকে পড়লে তাঁকে গুলি করা হয়৷ জবাবে গ্রিকরা বুলগেরিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রাম দখল করে নেয়৷ শেষ পর্যন্ত তখনকার লিগ অফ নেশন্সের হস্তক্ষেপে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ আটকানো গেছে৷

জেনকিনের কানের জন্য যুদ্ধ
১৭৩৮ সালে ব্রিটিশ মেরিন সদস্য রবার্ট জেনকিন দেশটির সংসদে তাঁর পঁচে যাওয়া কান দেখিয়ে বলেন যে, স্প্যানিশ এক কোস্টগার্ড অফিসার তাঁর কান কেটে দিয়েছেন৷ এতে উত্তেজিত হয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্পেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে৷

দ্য পেস্ট্রি ওয়ার
১৮২৮ সালে মেক্সিকোতে এক মিলিটারি ক্যু হলে উত্তেজিত জনতা তাণ্ডব চালায়৷ এতে অনেকের মধ্যে এক ফ্রেঞ্চ পেস্ট্রি বিক্রেতার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ দোকানদার মেক্সিকো সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইলে তাতে কর্ণপাত করা হয়নি৷ তিনি এরপর ফ্রেঞ্চ সরকারের কাছে আর্জি জানান৷ এক দশক পর বিষয়টি চোখে পড়লে ফ্রান্সের রাজা লুই ফিলিপ মেক্সিকোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানান৷ তাতে কাজ না হলে দেশটির বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করেন৷

সূত্রঃ DW
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর