× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার

মতিন রহমানের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, ৮:৩৮

ঢালিউডের স্বনামখ্যাত পরিচালক মতিন রহমান চলচ্চিত্রের ওপর গবেষণার জন্য পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর এর মধ্যদিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্র পরিচালকদের মধ্য থেকে তিনি এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। কারণ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে লোকজ উপাদানের প্রয়োগ কৌশল ও নন্দন ভাবনা’ বিষয়ের ওপর মতিন রহমান গবেষণা করে এই ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, এ জে কারদারের ‘জাগো হুয়া সাভেরা’, জহির রায়হানের ‘বেহুলা’, সালাহউদ্দিনের ‘রূপবান’, আমজাদ হোসেনের ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমনি’ এই ছয়টি সিনেমার নির্মাণে লোকজ উপাদানের প্রয়োগ কীভাবে হলো এবং তার নন্দন ভাবনা ছিল কী না তা নিয়েই গবেষণা করেছেন মতিন রহমান। সিনেমাগুলোর গান, সংলাপ ও পোশাকে লোকজ উপাদানের প্রয়োগ বিশ্লেষণ করে এর নতুন করে বিচার করে মতিন রহমান প্রমাণ করেছেন যে, এসব সিনেমাতে নন্দন ভাবনা ছিল।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ড. আমিনুল ইসলাম দুর্জয়ের অধীনে মতিন রহমান এই গবেষণা করেন। তার পরীক্ষক হিসেবে ছিলেন ড. কাবেরী গায়েন ও ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ।
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন প্রসঙ্গে মতিন রহমান বলেন, জানি এটি এভারেস্ট বিজয়ের মতো কোনো ঘটনা নয়, তবে আমার এই অর্জনে আমি তৃপ্ত। প্রসঙ্গত, মতিন রহমান দীর্ঘ পনেরো বছর যাবৎ রাজধানীর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর