× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার

গিরিশ কারনাডের জীবনাবসান

বিনোদন

কলকাতা প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:৩৯

অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক গিরিশ কারনাডের জীবনাবসান হয়েছে। গতকাল ভোরে বেঙ্গালুরুর লাভেলি রোডের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। নাটক, সিনেমার পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও ছিল তার অবাধ বিচরণ। মারাঠি নাটকে তিনি ছিলেন অন্যতম কাণ্ডারি। এ ছাড়া একাধিক সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা ও পরিচালনা করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে অনেক কন্নড় ও মারাঠি ছবি।
চিত্রনাট্য ও পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয়ও করেছিলেন গিরিশ কারনাড। ১৯৭০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সংস্কার’ ছিল তার ডেবিউ ছবি। একে একে ‘নিশান্ত’ (১৯৭৫), ‘মন্থন’ (১৯৭৬), ‘স্বামী’ (১৯৭৭), ‘পুকার’ (২০০০)-এর মতো ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ইকবাল’-এ তার অভিনয় পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। সালমান খানের সঙ্গে ২০১২ সালে ‘এক থা টাইগার’ এবং ২০১৭ সালে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’তেও গিরিশের অভিনয় দেখেছেন দর্শকরা। অন্যদিকে টেলিভিশনেও গিরিশ সমান স্বচ্ছন্দ ছিলেন। ১৯৮৬-’৮৭তে জনপ্রিয় টিভি ধারাবাহিক ‘মালগুডি ডেজ’-এ অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেরা পরিচালক হিসেবে ১৯৭১ সালে কন্নড় ছবি ‘ভামসা ভ্রিক্ষা’-র জন্য গিরিশ পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। এ ছাড়া আরো ৯টি জাতীয় পুরস্কার রয়েছে তার ঝুলিতে। এর মধ্যে কোনোটা চিত্রনাট্যকার হিসেবে, কোনোটা আবার পরিচালক হিসেবে। পেয়েছেন চারটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও। পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণ পেয়েছিলেন গিরিশ। ১৯৩৮ সালের ১৯শে মে তৎকালীন বম্বে শহরে জন্ম হয়েছিল এ খ্যাতিমানের। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার প্রাথমিক পড়াশোনা কর্নাটকে। অঙ্ক এবং সংখ্যাতত্ত্বে স্নাতক হওয়ার পর রাজনীতি এবং অর্থনীতি নিয়ে অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সাল থেকে কন্নড় ভাষায় লেখক হিসেবে গিরিশ পরিচিতি পেতে শুরু করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর