× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

চট্টগ্রামে গুলিতে ধর্ষণের আসামি নিহত

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৮:০৯

শুধু ধর্ষক নন, ডাকাতও। আর নিজস্ব ডাকাত দলের অন্তর্কোন্দলে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে আব্দুন নূর নামের এক সন্ত্রাসী। খবর পেয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নে চায়না ইকোনমিক জোন সংলগ্ন হাজীগাঁও পাহাড় থেকে গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার সকালে উদ্ধারের পর মৃতদেহটি সমপ্রতি কোরিয়ান ইপিজেডের জুতার কারখানার কিশোরী কর্মীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুন নুর (২৫) বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। আবদুর নুর আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নে আবদুস সাত্তারের ছেলে।
আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বলেন, আব্দুন নুর ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। তার একটি নিজস্ব ডাকাত দলও রয়েছে। সেই বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সম্ভবত অন্তর্কোন্দল অথবা ডাকাতির মালামালের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে শনিবার রাতের কোনো এক সময় তাদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এতে আব্দুন নুর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়।
সকালে পাহাড়ে কৃষিকাজ করতে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দেখে খবর দিলে আমরা গিয়ে তার মৃতদেহ উদ্ধার করি। তিনি বলেন, মৃতদেহটি উদ্ধারের পর সেটি সামপ্রতিক ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুন নুরের বলে আমরা শনাক্ত করেছি। ওসি জানান, আব্দুন নুরের বিরুদ্ধে ডাকাতি-ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা আছে। গত জানুয়ারি মাসে এবং পরে রমজানে দুটি ছিনতায়ের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৮ সালে ডাকাতির অভিযোগে দায়ের হওয়া এক মামলার আসামিও নূর। তবে গত ৩রা জুলাই বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি যাবার পথে কোরিয়ান ইপিজেডের একটি জুতার কারখানার আনুমানিক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে গণধর্ষণের মূল হোতা আবদুর নূর। চন্দনাইশ উপজেলার বাড়ি থেকে প্রতিদিন কারখানায় আসা-যাওয়া করে চাকরি করত মেয়েটি। কিন্তু মেয়েটিকে ওই সময় আনোয়ারা থানার চৌমুহনীর অদূরে কালার মার দিঘী এলাকায় অন্ধকারের মধ্যে রাস্তার অবস্থায় পান স্থানীয়রা। তার কাছ থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। ভাইসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। কিশোরী পরিবারের সদস্যদের জানায়, চোখ বেঁধে চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে ৪ঠা জুলাই রাতে আনোয়ারা থানায় অজ্ঞাতনামা চার জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার দুই আসামি কিশোরীকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মামুন (২০) এবং যাত্রী হেলাল উদ্দিনকে (৩০) ৫ই জুলাই শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ধর্ষণের মূল হোতা আবদুর নুর বলে আদালতকে জানান তারা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর