× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন

এক্সক্লুসিভ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ৮:১১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বেলা সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় আতঙ্কিত হয়ে গ্রন্থাগার থেকে বেরিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। তবে আগুন লাগার ১৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভাতে সক্ষম হয় গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ ঘটনায় ক্ষয়-ক্ষতির কোন খবর পাওয়া যায়নি। তবে গতকালকের মতো বন্ধ রাখা হয়েছিল গ্রন্থাগারের কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের জন্য আজ ফের উন্মুক্ত করা হবে গ্রন্থাগার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে দশটার সময় গ্রন্থাগারের নিচতলার সার্কিট বোর্ডে আগুন লাগে।
বোর্ডের তারে আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যেই সর্বত্র ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এসময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার ২৫ মিনিট পর গুলিস্তান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। ততক্ষণে গ্রন্থাগারের কর্মচারিরা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আগুন লাগার পর গ্রন্থাগারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। এদিকে আগুন লাগার পর গ্রন্থাগারের ভেতরে অবস্থান করা প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী-কর্মকর্তার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। একটা সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে জটলা তৈরি হয়। আগুন নেভানোর পর ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী। প্রো-ভিসি সাংবাদিকদের বলেন, শর্ট সার্কিট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, গ্রন্থাগারের পেছনে ধোঁয়া দেখার পরপরই গ্রন্থাগারের কর্মচারিরা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে কোন শিক্ষার্থী এবং গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত মূল্যবান গ্রন্থ ক্ষতির শিকার হয় নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. এস এম জাবেদ আহমদ বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সুইচ বোর্ডগুলোতে আগুন লেগে যায়। আমরা তৈরি ছিলাম, আমাদের লোকজন অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেছে। এ ঘটনার পর আমরা গ্রন্থাগার বন্ধ করে দিয়েছি। সবগুলো বৈদ্যুতিক তার চেক করার পর আমরা গ্রন্থাগার খুলবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর