× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

নির্যাতনের পর ‘গো মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে বাধ্য করা হলো

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৪৫

 হাটে পশু নিয়ে যাওয়ার সময় ভারতের মধ্যপ্রদেশের খান্ডা জেলায় একদল মানুষকে বেদম মারপিট করেছে গরু রক্ষাকারীরা। তাদেরকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। হাঁটু গেড়ে রাস্তার ওপর অবস্থান করানো হয়। বাধ্য করা হয় ‘গো মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে। এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এতে বলা হয়, মহারাষ্ট্রে পশু কেনাবেচার একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ২৪ জনের একদল পুরুষ ওই মেলায় পশু নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তাদের মধ্যে ছিলেন খান্ডা, সিহোরে, দেবাস ও হারডা জেলার লোকজন। ওই ২৪ জনের মধ্যে ৬ জন ছিলেন মুসলিম। কিন্তু রোববার তারা গরু বিষয়ক   নজরদারিদের কবলে পড়েন। তাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয় তা ধারণ করা হয়েছে একটি মোবাইল ফোনে। এতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরা একজন ওইসব ব্যক্তির খুব কাছে চলে যান মোবাইল ফোন হাতে, যাতে তাদের মুখ পরিষ্কারভাবে ভিডিওতে বোঝা যায়। ছবি যাতে পরিষ্কার আসে। এ সময় কমপক্ষে দু’জন রশি দিয়ে বেঁধে রাখা লোকজনকে পাহারা দিতে থাকে। বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের রিপোর্ট অনুসারে ওই এলাকায় গরু রক্ষা বিষয়ক নজরদারিদের ১০০ সদস্য আছে। তারা সাভালিকেড়া গ্রামের। ওইসব ভিজিল্যান্টিরা অভিযোগ করেছে, এসব মানুষ ২০টি গবাদিপশুকে জবাই করার জন্য স্থানান্তর করছিল। এ জন্য তাদের ওপর শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে। তাদেরকে বেঁধে ফেলা হয়েছে। তারপর তাদেরকে ফেরত যাওয়ার পথে খালওয়া পুলিশ স্টেশনের সামনে দিয়ে প্যারেড করানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট শিবদয়াল সিং বলেছেন, ওইসব মানুষ গবাদিপশু নিজেদের বলে দাবি করেন। কিন্তু তারা তাদের এ দাবি প্রমাণ করতে পারেননি। ২৪ জনের মধ্যে একজনও তাদের দাবির পক্ষে প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গো রক্ষাকারী ওইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর