× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

ধর্মের নামে গণপিটুনি বন্ধ করতে মোদীকে ভারতের বিশিষ্টজনদের চিঠি

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৫ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৫

‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় মারধর, গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। ধর্মের নামে এই গণপিটুনি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনদের একাংশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা এক চিঠিতে ৪৯ জন বুদ্ধিজীবী অবিলম্বে ধর্মের নামে গণপিটুনির এই উন্মাদনা বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। গণপিটুনিতে দোষীদের জামিনঅযোগ্য ধারা এবং যাবজ্জীবন কারাদন্ডের দাবি জানানো হয়েছে।  চিঠিতে সই করেছেন চিত্র পরিচালক, অভিনেতা, লেখক, সাহিত্যিক, সমাজসেবী, চিকিৎসক, পরিবেশবিদ, ভাস্কর, চিত্রকর, শিক্ষাবিদ, গায়ক, ফ্যাশন ডিজাইনারের মতো বিভিন্ন পেশার ৪৯ জন বিশিষ্টজন। নিজেদের শান্তিকামী ও গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করে গণপিটুনি ও ধর্মের নামে যে উন্মাদনা চলছে, তার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন তারা।  বিশেষ করে দলিত ও মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর যে অত্যাচার, গণপিটুনি ও মারধরের ঘটনা ঘটছে তার জন্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই দায়ী করেছেন এই বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, এটা মধ্যযুগ নয়। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন আদুর গোপালকৃষ্ণন, মণিরত্মম, শ্যাম বেনেগাল, অনুরাগ কাশ্যপ, অপর্না সেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন  প্রমুখ। অভিনেতা ও নাট্যকার কৌশিক বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশেই একটা বিভাজনের পরিস্থিতি কাজ করছে।
জয় শ্রী রামের মতো একটা ধর্মীয় মন্ত্রকে যুদ্ধনিনাদে পরিণত করা হয়েছে। বিজেপির বিচারধারায় কারও সঙ্গে না মিললে তাকেই দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করা  হচ্ছে।  আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সে ব্যাপারে চিঠি দিয়েছি। আমরা যেমন পশ্চিমবঙ্গের বিষয়েও উদ্বিগ্ন, তেমনই গোটা দেশের ব্যাপারেও।  বিশিষ্টজনেরা চিঠিতে সরকারি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছেন, ২০১৬ সালে দলিতদের উপর ৮৪০টি অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে। অথচ দোষীদের কোনও বিচার হয় নি। আর তাই সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করে বিশিষ্ট জনেরা দাবি করেছেন, গণপিটুনির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের এবং দ্রুত ও নিশ্চিত ভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তারা বলেছেন, কোনও দেশেই কোনও নাগরিক ভয়-ভীতির মধ্যে থাকুক এটা কাম্য নয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর