× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

৮ বছর পর বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর বিকৃত মূর্তি সরানো হচ্ছে

ভারত

পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে | ২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১১:১৬
বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর নতুন ভাস্কর্য

দীর্ঘ ৮বছর পর কলকাতায় বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর বিকৃত মূর্তি সরানো হচ্ছে। আগামী ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নতুন আবক্ষ মূর্র্তির আবরণ উন্মোচন করা হবে। বেকার হোস্টেলের স্মৃতিবাহী কক্ষের সামনে আগে যেখানে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তিটি ছিল সেখানেই বসানো হচ্ছে নতুন আবক্ষ মূর্তিটি। এটির আবরণ উন্মোচন করবেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। নতুন এই আবক্ষ মূর্তিটি তৈরি করেছেন বাংলাদেশের ভাস্কর লিটন পাল রনি। কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে ৮ স্মিথ লেনে সরকারি এই বেকার হোস্টেলটি অবস্থিত। ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র হিসেবে ১৯৪৫-৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু এই হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছিলেন। ইসলামিয়া কলেজের বর্তমান নাম এখন মৌলানা আজাদ কলেজ।
বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়া হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ।

এ স্মৃতিকক্ষে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল ও আলমারি। ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক সত্যসাধন চক্রবর্তী। আর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি স্মৃতি কক্ষের সামনে বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানেই বঙ্গবন্ধুর বিকৃত মূর্তি দেখে উপস্থিত সকলেই সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন। অনেকে বঙ্গবন্ধু অনুরাগী দ্রুত মূর্তিটি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন। আসলে কলকাতার এক ভাস্করের তৈরি সেই মূর্তিটি বঙ্গবন্ধুর চেহারার সঙ্গে আদৌ সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। সেই মূর্তিতেই গত আট বছর ধরে বাংলাদেশের মন্ত্রীরা সব অনুষ্ঠানে মালা ও পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা মূর্তিটির পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন।

তারপরই শুরু হয়েছিল তৎপরতা। তবে এবারের মূতিটিও আগের আদলে তৈরি হয়েছে। তাই বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্ব মূর্তিতে মোটেই প্রতিফলিত হয় নি বলে বেকার হোস্টেলের কয়েকজন ছাত্র মন্ত্রব্য করেছেন। বর্তমানে মূর্তিটি বসানোর পর চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে বলে  জানা গেছে। অবশ্য বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি নিয়ে কলকাতারই একটি মুসলিম সংগঠন ২০১৭ সালে এই মূর্তি অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন।  অল বেঙ্গল মাইনরিটি ইয়ুথ ফেডারেশনের দাবি ছিল, বেকাল হোস্টেল একটি সরকারি হোস্টেল। এখানে মুসলিম ছাত্ররাই আবাসিক। আর এখানে রয়েছে একটি মসজিদ। তাই সেখানে মূর্তি থাকা অনৈতিক ও ইসলাম বিরোধী। পরে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে কঠোর মনোভাব নিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধুর মূর্তি যেখানে রয়েছে সেখানেই থাকবে। তার পর থেকে আর কোনও বিতর্ক তোলার চেষ্টা হয়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৬:০৯

টানা আট বছরের করুণ বেকার অভিজ্ঞতা!

অন্যান্য খবর