× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

সরকার সবকিছু অস্বীকার করছে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৩৫

বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হেফাজতে নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন সেটা সত্য নয়। তিনি সত্য কথা বলেননি। বুধবার পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের পত্র পত্রিকা, মানবাধিকার কমিশনের যে রিপোর্ট আমরা পেয়েছি, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর প্রতিবেদনে আমরা যেগুলো দেখেছি, গত বছর দেশে জুডিশিয়াল কাস্টোডিতে এবং তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধের নামে ৪৩৫ জনের উপরে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে প্রতি বছরই এমন ঘটনা ঘটেছে। হেফাজতে টর্চার এটাতো কমন ব্যাপার। যেটা এর আগেও গণমাধ্যমে এসেছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মী আছেন যাদের পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এটা অবলীলায় অস্বীকার করলেন। ওনার এই কথাটা সঠিক নয়তো বটেই, সত্যের অপলাপ ছাড়া কিছুই নয়। যারা সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণ করেছে, তাদের উপরই বেশি নির্যাতন চালানো হয়েছে। আপনারা জানেন বিখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করে কাস্টোডিতে নেয়ার পর তার উপর নির্মম আচরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেকোন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এই সরকারের লোকেরা সবকিছু অবলীলায় অস্বীকার করছে। আর এ কারণে জনগণ সবকিছুতে সাফার করছে। ডেঙ্গু শুধু ঢাকায় নয় সারাদেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারছে না। জনগণের জন্য সকলের এক সঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন। আমরা সব সময় বলে আসছি, এই দুর্যোগে দল মত নির্বিশেষে জাতীয়ভাবে মোকাবিলা করার জন্য। কিন্তু তারা কিছু্‌ করছে না। এখন নয়, আগেও দেশের যে কোন দুর্যোগে তারা কোন দলকে সম্পৃক্ত করেনি।
সম্প্রতি আপনিসহ বিএনপির ৯ জনের নামে একটি মামলা করা হয়েছে। কারণ আপনারা নাকি মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। এজন্য মামলা করা হয়েছে। আসলে এটার মোটিভ কি? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বিষয়টা জানতে পেরে খুবই বিস্মিত হয়েছি। এটা আমার কাছে মনে হয়েছে, বোল্ট ফর ব্লু। এখন এই ধরণের মামলা আসবে আমরা এটা চিন্তাই করতে পারিনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

আমি মামলার কপিতে দেখেছি, এবি সিদ্দিকি নামের একজন মামলা করেছেন। তিনি এর আগেও আমার নামে তিন চারটি মামলা করেছেন। কিন্তু আমি তাকে কখনো দেখিনি। আমি যতটুকু জানি তার কাজই হচ্ছে এই ধরণের মামলা করা। আর এই মামলা হওয়ার পরপরই ওয়ারেন্টও হয়ে গেছে। দ্যাট ওয়াজ সারপ্রাইজিং। এর আগে যত মামলা হয়েছে। এগুলো একটিতেও সঙ্গে সঙ্গে ওয়ারেন্ট হয়নি। সবগুলোই প্রথমে তদন্ত হয়েছে। এই প্রথম দেখলাম, মামলা হওয়ার সাথে সাথে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়ে গেছে। মামলার কপিতে দেখলাম কোন এক রানা সাহেব নাকি এবি সিদ্দিকি সাহেবকে একটি চিঠির মাধ্যমে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু সেখানে আমাদের নাম কোথাও নেই। পরে আমরা হাইকোর্টে যাওয়ার পর তারাও বিষয়টি সেইভাবে না দেখে আমাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেন। আমরা সব সময় যেটা মনে করি। যখনই আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়। এর একটাই কারণ যে আমাদের রাজনীতিতে বিভিন্নভাবে চাপে রাখা। আর গণতান্ত্রিক যে কার্যক্রম আছে এগুলো থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্যই এই মামলাগুলো দেয়া হয়। আর দেশে কোন কারণ ছাড়াই আবার আরেকটি রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করা। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর