× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার

চট্টগ্রামে পাঁচশ ছুঁলো ডেঙ্গু আক্রান্ত

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৯ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১০:০৩

চট্টগ্রামে পাঁচশ’র মাইলফলক ছুঁলো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০৩ জনে । এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ডেঙ্গু কর্নারে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৮ জন। চট্টগ্রাম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে থাকা ডা. নুরুল হায়দার গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সর্বশেষ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও এদের প্রায় সবাই নরমাল। ফলে প্রাণহানির কোন ঝুঁকি নেই। চিকিৎসা চলছে এদের।
তিনি বলেন, গত জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে টানা বৃষ্টিপাতের পর ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে চট্টগ্রামে। তবে আক্রান্তদের উল্লেখযোগ্য অংশ রাজধানী ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে এসেছেন।  তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আগে ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হতে থাকে মানুষ। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় গিয়ে চট্টগ্রামের কিছু মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়। যারা পরে চমেক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ নগরীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হন।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৬ জন। এরপর ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরো ১৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। ফলে এ নিয়ে চট্টগ্রামে পাঁচশ’র মাইলফলক ছুঁলো ডেঙ্গু রোগী। তবে সে তুলনায় ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক। সেখানে মৃত্যুর ঘটনা থাকলেও চট্টগ্রামে এখনো পর্যন্ত সে রকম কিছুই হয়নি।

তিনি জানান, চমেক হাসপাতালের ডেঙ্গু কর্নার ও শিশু ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত ২৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৮ জন রোগী চিকিৎসা নিলেও বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে গতকাল ২৩ জন নতুন আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। ১৮ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়ে যারা ভর্তি হয়েছেন সবাই নরমাল ডেঙ্গু। এই মুহূর্তে ডেঙ্গু হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। এর মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতনমূলক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সামনে কোরবানির ঈদ। কোরবানির পশুর হাট এবং পশু জবাইয়ের বর্জ্যের কারণে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে। এরপর অনেকাংশেই কমে আসবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

এদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯টি জেলায়ও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জনের দায়িত্বে থাকা ডা. জি এম তৈয়ব আলী।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ২ জন, খাগড়াছড়িতে ৬ জন, ফেনীতে ২৬ জন, কুমিল্লায় ৩১ জন, চাঁদপুরে ৪৯ জন, লক্ষ্মীপুরে ১২ জন, নোয়াখালীতে ১৩ জন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ১৬ জন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলেও কিট না থাকায় প্রকৃতপক্ষে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন, চমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, লক্ষণ দেখে চিকিৎসা চলছে ডেঙ্গু রোগীদের।

এদিকে সরজমিনে দেখা যায়, চমেক হাসপাতালের ৬৪ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ৩২৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের বেশিরভাগই নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত বলে জানান, শিশু বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন মাহমুদ।

তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর মা-বাবা ও স্বজনরা বলেন, শিশুরা ৫-৬দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত হলেও ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে-নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। অথচ ওয়ার্ডে প্রতিদিন একজন-দু’জন করে শিশু মারা যাচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
৯ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৩৫

তার মানে, চট্টগ্রাম বেশি উন্নত হয়ে গেছে - সমবায় সিকিমিন্তি ভটচারিয়ার স্বপনে পাওয়া নয়া তত্ত্ব মোতাবেক। খুশিতে রাস্তায় নেমে গাধার দু' কানের মতো দু' আঙুল উঁচিয়ে চট্টলাবাসীর উচিত ধেই ধেই জিপি-ফাইভ নৃত্য জুড়ে দেয়া।

অন্যান্য খবর