× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে তিন ভারোত্তোলক

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৮:১৩

এসএ গেমসের আগে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবেন বাংলাদেশের তিন ভারোত্তোলক। শেখ নাইমুল ইসলাম ও স্মৃতি আক্তারের জন্য টুর্নামেন্টটি নতুন হলেও এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত এই আসরে অংশ নিচ্ছেন দ্বিতীয়বার। কোয়ালিফাই করে গত বছর নভেম্বরে তিনি অংশ নিয়েছেন তুর্কমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপে। বাংলাদেশের প্রথম ভারোত্তোলক হিসেবে মাবিয়ার এ অর্জন। আগামী ১৬ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের পাতায়ায় হবে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের ২৮তম আসর। তিন ভারোত্তোলকই আছেন ডিসেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠিতব্য সাউথ এশিয়ান গেমসের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ২২ জনের তালিকায়। চূড়ান্ত বাছাইয়ে টিকে থাকার দৌড়েও এগিয়ে তারা।
বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সহসভাপতি উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ‘আমরা চেষ্টা করবো তিনজনকেই থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে পাঠাতে।
এসএ গেমসের আগে এতবড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।’ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে কোয়ালিফাইয়ের যোগ্যতা হলো বিভিন্ন ওজন শ্রেণিতে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মানদণ্ডের ভিত্তিতে পারফরম্যান্স। মেয়েদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ওই ওজন শ্রেণির ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ৬৫ ভাগ পারফরম্যান্স থাকতে হবে। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে সেটা ৭৫ ভাগ। বাংলাদেশ থেকে প্রথম মাবিয়া গত বছর ওই যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। এবার তার সঙ্গে যোগ হয়েছেন স্মৃতি আক্তার ও শেখ নাইমুল ইসলাম। এসএ গেমসের জন্য মাবিয়া ৬৪ কেজি, স্মৃতি আক্তার ৪৫ কেজি এবং নাইমুল ইসলাম ৭৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে অনুশীলন করছেন। এসএ গেমসের আগে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া নিয়ে মাবিয়া বলেন, আসলে এসব টুর্নামেন্টে পদক জয়ের আমাদের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে নিজের ওজন ছাড়িয়ে যেতে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। যা আসন্ন এসএ গেমসে ভালো করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। যদিও এসএ গেমসে পদক জয়ের ব্যাপারে খুব একটা আশাবাদী নন শিলং গৌহাটিতে স্বর্ণ জয়ী এই ভারোত্তোলক। আক্ষেপ করে মাবিয়া বলেন, মাত্র ছয় মাসের অনুশীলনে গোল্ড মেডেল পাওয়া সম্ভব না। তারপরও আমরা আসলে সব সময়ই লিমিটেশনের মধ্যে থাকি। কোনো বারই ছয়-সাত মাসের বেশি ক্যাম্প পাই না। এর মধ্যে থেকেই সবাই সবার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করবে। ভালো রেজাল্টের আশা সবাই করে। ইনশা আল্লাহ ভালো কিছুর জন্যই লড়বো। তবে ডে বাই ডে সবাই এগিয়েছে। আমরাই শুধু পিছিয়েছি। অন্যরা বিগত চার বছরে অনেক সামনে এগিয়েছে, যেটা আমরা করতে পারিনি।’ ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়া শেষ আসরের চেয়ে এবারের আসরকে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে মাবিয়ার কাছে। তার ভাষায়, ‘এখন আমাদের কাছে প্রতিযোগিতাটা ২০১৬ সালে যেমন ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। তারপরও চেষ্টা করবো।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর