× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১২ জুলাই ২০২০, রবিবার

ঈদ যাত্রায় নৈরাজ্য চলছে: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ৭:৫৭
ছবিঃইমরান আলী

সড়কপথে অব্যবস্থাপনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে ঈদে ঘরমুখী মানুষদের। ফিটনেসবিহীন ট্রাকে পশু বহন, ফিটনেসবিহীন বাসে যাত্রী পরিবহনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। রেলপথে টিকিট কালোবাজারি, ছাদে যাত্রী ও শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে ঘরমুখী যাত্রীরা। নৌপথে চলছে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়। ফেরিঘাটগুলোয় বসে থাকতে হচ্ছে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা। আর আকাশপথে ৪ থেকে ৫ গুণ বাড়তি দামে টিকিট কিনতে হচ্ছে। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ঈদযাত্রা নিয়ে এসব অভিযোগ করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘হয়রানিমুক্ত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করুন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার কারণে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন থেমে থেমে চলছে।
পথে পথে পশুবাহী ট্রাক থামিয়ে পুলিশ ও বিভিন্ন সংগঠনের নামে চাঁদাবাজি চলছে। এসব চাঁদাবাজিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে কৃত্রিম যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ফেরিতে পার হতে ৮ থেকে ১২ ঘন্টা লেগে যাচ্ছে। দুর্ভোগ মাথায় করে প্রতিটি লঞ্চে ধারণক্ষমতার প্রায় তিন থেকে চার গুণ অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, সব পথে ভাড়া ডাকাতি চলছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে সীমিত পরিসরে সড়ক, নৌ ও রেলপথে মনিটরিং টিমের কার্যক্রম থাকলেও আকাশপথে ভাড়াসংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম নেই। ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলসহ ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী প্রতিটি রুটে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ভাড়া বেশি আদায় করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে ভোলা, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা রুটে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, এই ঈদে ঢাকা থেকে ১ কোটি ৫ লাখ যাত্রী অন্য জেলায় যাতায়াত করবে। আর দেশব্যাপী এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াত করবে আরও ৩ কোটি ৫০ লাখ যাত্রী। এবারের ঈদযাত্রার ১২ দিনে ৪ কোটি ৫৫ লাখ যাত্রী ২৭ কোটি যাত্রাবহরের সঙ্গে থাকবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ১০:৪৭

চমৎকার ছবি! দেখেই যা বুঝার বুঝে নেয়া যায়। বিন্দুতে সিন্ধু দেখে নেয়া যায়। এলোপাথারি গাড়ি গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে। কারু বা বুট খোলা, গাড়ির ফাঁকে আবার এক নারী দাঁড়িয়ে, যাত্রী হবেন হয়তো, হয়তো বসে থাকতে থাকতে হাতে পায়ে খিল ধরে গেছে, তাই নেমে পড়েছেন খানিক হাঁটাহাঁটি করে নিতে, এমন ঘোঁট পেকে গেছে যে ঘণ্টায় ইঞ্চি ইঞ্চি করেও গাড়ি এগুতে পারবে কিনা সন্দেহ। হয়তো ভবিষ্যতের কোন একসময় এরা সবাই আসবে বাড়িতে, খুশিতে জড়িয়ে ধরবেন হয়তো, জানতে চাইবেন কী করে ঠিক ঠিক ঈদেই এসে পড়লে? লাজুক বিব্রত জবাব পাবেন, মিয়াবাই, এই ঈদের না, আামি আসলে গত ঈদের প্যাসেঞ্জার! বাইগ্ গ বালা। আফনার আমলেই আ্‌ইস্যা গেছি, নইলে নাতিপুতির আমলে আইতে অইতো। গোটা বাংলাদেশের নির্বাহী, বিচারসহ সকল বিভাগের অবস্থার ছবি দেখতে চাইলে সড়কের এই ছবিটিই কাফি। ঠিক এরকমই ঘোঁট পাকানো গুঁতোগুঁতি অবস্থায় পুরো সিসটেম। ঘণ্টায় কত ইঞ্চি বেগে উন্নয়নের দিকে ছুটছে দেশ - তা এই ছবিকে প্রতীকী হিসেবে ধরে নিলেই বুঝা যায়। সড়কের এই লেজেগোবরে অবস্থা দেশের চলমান সিসটেমেরই আউটপুট। তাই ছবিটিকে প্রতীকী হিসেবে ধরে নেয়া যায় অনায়াসেই। ধন্যবাদ মি. ইমরান আলি। সৃজনশীল একটি ছবি তুলেছেন আপনি, যে ছবি কোন কথা না বলেই অনেক কথা বলে যায়। এ ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য।

অন্যান্য খবর