× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

মেঘ কাটছে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, ৭:৫৯

গত ২২শে জুন জিম্বাবুয়ে সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দুর্নীতির অভিযোগ এনে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে ভেঙে দিয়েছিল। এরপর ক্রিকেট বোর্ডের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি’র সদস্যপদ হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে আদালতের এক নির্দেশের ফলে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট অঙ্গনে আবারো আলোর রেখার দেখা পাওয়া গেছে। আর এতেই সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে বাংলাদেশের সিরিজেরও। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেই বাংলাদেশ আসবে জিম্বাবুয়ে দল। গত বৃহস্পতিবার জিম্বাবুয়ের প্রশাসনিক আদালত দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রিকেট বোর্ড ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে অন্তর্র্বর্তী কমিটি ভেঙে দিয়ে বহিষ্কারকৃত নির্বাচিত বোর্ড পরিচালকদের পুনর্বহাল করতে আদেশ দিয়েছে। এখন আদালতের সবুজ সংকেত পেলেই আবারো দায়িত্বে ফিরবেন নির্বাচিত বোর্ড পরিচালকদের কমিটি।
এমনটি হলে আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের প্রত্যাবর্তন হবে।  প্রসঙ্গত, আইসিসির সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২.৪ (সি) এবং (ডি) লঙ্ঘন করায় সভামন্ডলীর সকলের সর্বসম্মতিক্রমে জিম্বাবুয়েকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই আইনে বলা হয়েছে, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিকভাবে দল নির্বাচন এবং যথাযথভাবে ক্রিকেটের শাসন অথবা প্রশাসনে কোনো সরকারি হস্তক্ষেপ থাকতে পারবে না। এই নিয়মের বেড়াজালে পড়েই ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

আইসিসির সদস্যপদ হারানোর পর এক বিবৃতির মাধ্যমে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নেয়া তো বটেই, ঘরোয়া টুর্নামেন্টও তাদের পক্ষে চালানো সম্ভব নয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে জিম্বাবুয়ে নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক আনে মুসোন্ডার সঙ্গে মুশাঙ্গে, তাসমিন গ্র্যাঙ্গার ও শার্নে মেয়ার্স আইসিসির গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েন এবং ইংল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলা থেকে বঞ্চিত হন। নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় পর নিজের অবসরের ঘোষণাও দেন জিম্বাবুয়ের হয়ে ১২ টেস্ট, ৯৭ ওয়ানডে ও ৩২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা সিকান্দার রাজা এবং ২টি টেস্ট ও ৪৭টি ওয়ানডে খেলা সলোমন মিরে।  যদিও দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী কির্স্টি কভেন্ট্রি আইসিসির করা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে টুইটারে লিখেছিলেন, ‘আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ভালোর জন্যই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দলটি আরও ভালো করতে পারে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এসআরসি গঠন করে। তবে এসআরসি কখনোই সরকারের অংশ নয়।’  উল্লেখ্য, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে এসআরসির ভূমিকার প্রশ্নেই মূলত এই বিতর্কের জন্ম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর