× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণকারী ২ যুবক বন্দুকযুদ্ধে নিহত

অনলাইন

ভোলা প্রতিনিধি | ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ১১:৩৪

ঈদের আগের রাতে হাতে মেহেদি দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর দুই ধর্ষক পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুই যুবক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি ছিলেন।
ভোলা সদর উপজেলায় মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে পুলিশের সঙ্গে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে আল আমিন (২৫) ও কামাল মিস্ত্রির ছেলে মঞ্জুর আলম (৩০)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চাঁদরাতে স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি নিহত হন। পরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভোলা মডেল থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শিখর বলেন, মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার আসামিদের ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে তাদের বাবা গরু বিক্রি করার টাকা আনতে ভোলা শহরে যান। বাবা শহরে চলে যাওয়ার পর দুই বোন রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রীর কাছে হাতে মেহেদি দিয়ে সাজতে যায়। ওই সময় আগে থেকে অপেক্ষমাণ মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া আল আমিন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়।
এ সময় আলমিনের স্ত্রী ঘরে ছিল না। এ সুযোগে ওই ছাত্রীকে আলামিন ও তার সহযোগী মঞ্জুর আলম হাত-পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ২:৫০

ধর্ষকদের কাছে বর্তমান আইনে শাস্তি এত তুচ্ছ যে তারা ধর্ষণ করতে দিদা করে না। বরং ধর্ষণের পরও পুলিশের মোকাবিলা করার সাহস করে। সরকার কঠোর শাস্তিমূলক আইন করলে ধর্ষণ গোড়াতে বন্ধ হত। তাই এ রকম ঘটনা ঘটত না।

অন্যান্য খবর