× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

ক্যাম্পেই মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের পরীক্ষা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৬ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৫

দীর্ঘ দিন থেকেই ইনজুরি আক্রান্ত টাইগারদের সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এই কারণে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেই বল করতে পারছেন না তিনি। তার অভিজ্ঞতা ও ব্যাটিংয়ের কারণেই দলে রাখা হচ্ছিল তাকে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তার এই ইনজুরির কারণে দলকেও ভুগতে হয়েছে বেশ। তাই ধারণা করা হচ্ছিল দেশে ফিরে লম্বা সময় বিশ্রামে যেতে হতে পারে তাকে। কিন্তু তা হয়নি, বিশ্বকাপ থেকে ফিরেই তিনি চলে যান শ্রীলঙ্কা সফরে। সেখানে খেলেন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও। তবে দলের হাল ধরতে পারেননি। শরিরীভাষাতেও ছিল ক্লান্তি। ইনজুরিতে যে কাতর তিনি সেটিও ছিল স্পষ্ট। বিসিবির চিকিৎসক মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে দেবাশিষ চৌধুরী  সেই সময় বলেছিলেন ওর আসলে চিকিৎসার পাশাপাশি লম্বা বিশ্রামও প্রয়োজন। এই ভাবে ইনজুরি নিয়ে খেলে ঝুঁকি আরো বাড়বে। তবে মাহমুদুল্লাহকে রাখা হচ্ছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ও এরপর ত্রিদেশীয় সিরিজের লক্ষ্যে প্রাথমিক দলেও। তার মানে স্পষ্ট তিনি ক্যাম্পে থাকবেন। এ ভাবে ইনজুরি নিয়ে তার ক্যাম্পে থাকা নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, ‘আমরা প্রথমিক দল দিয়ে দিয়েছি। যে কোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে। হ্যাঁ, তামিম ইকবাল ও মাশরাফি ছড়া জাতীয় দলের সব ক্রিকেটারই আছে। মাহমুদুল্লাহও আছে। ইনজুরি কি পর্যায়ে আছে সেখানেই দেখা যাবে।’
প্রধান নির্বাচকের কথাতেই স্পষ্ট, মাহমুদুল্লাহ ইনজুরি আক্রান্ত হলেও তাকে প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তার ইনজুরির অবস্থা কি তা নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন বলেন, ‘আমরা মাহমুদুল্লাহকে ক্যাম্পে ডাকছি ওর অবস্থা  দেখার জন্যই। আমাদের কাছেতো চিকিৎসক ও ফিজিওর রিপোর্ট আছে। ওকে ক্যাম্পে ফিটনেস টেস্টতো দিতেই হবে, তা দেখেই সিদ্ধান্ত নেবো কি করা যায়।’ কাঁধের ইনজুরির কারণে রিয়াদের বোলিং অনেক দিন থেকেই পাচ্ছেনা জাতীয় দল। সেই সঙ্গে ফিল্ডিংয়েও ভোগাচ্ছিলো একই সমস্যা। এরপরও শ্রীলঙ্কা সফরে তাকে পাঠানোর কারণ হিসেবে বিসিবির চিকিৎসক বলেছিলেন, ‘এটি আসলে ক্রিকেটারের বিষয়। রিয়াদ যদি মনে করে ও খেলতে পারবে সেটিতে আমাদের তেমন কিছু বলার নেই। তবে কিছু কিছু ইনজুরি আছে যেগুলো নিয়ে অনেক ক্রিকেটারই খেলে ফেলে। তবে এমন ঝুঁকি নেয়া ঠিক নয়।’  
ইনজুরির কারণেই তার পারফরম্যান্সেও বেশ প্রভাব পড়েছে তা বলার অপেক্ষ রাখেনা। বল তো হাতে নিতেই পারছেন না। ব্যাট হাতেও ব্যর্থ। শেষ টেস্ট খেলেছেন এ বছর ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডে। সেখানে ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে ২২ ও ১৩ রান করেন। এ বছর ১৬ ওয়ানডে ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র একটি ফিফটি। সবশেষ পাঁচ ইনিংসে করেছেন যথাক্রমে ২৭, ২৯, ৩, ৬ ও ৯ রান।  শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন গেল বছর। পাফরম্যান্সের গ্রাফ পর্যালোচনা করলেই অনুমান করা যায় ইনজুরি কতটা প্রভাব ফেলেছে। তাই ফিটনেস ক্যাম্পে তাকে পরীক্ষা দিয়েই মূল দলে জায়গা করে নিতে হবে সেটি সহজেই অনুমেয়। উৎরে যেতে না পারলে  তাকে দেখা যাবে না আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শুভঙ্কর ঘোষ
১৬ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৫৫

এইসব খেলোয়াড় এখন বয়সের ভারে ন্যুব্জ। ক্রিকেট একটি পাওয়ার গেম. এখানে বয়স এবং ফিটনেস বিরাট প্রভাব ফেলে খেলার পারফরমেন্স এ. দয়া করে অবসর নিয়ে তরুণ উদীয়মান লীগ, এ দল, অনুরধ ১৯ দল থেকে খেলোয়াড় নিন. এদের কে ছাটাই করার এখনই সময়.

অন্যান্য খবর