× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার
মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

নায়করাজের চলে যাওয়ার দুই বছর

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৭:৫৩

নায়ক রাজ রাজ্জাকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৭ সালের এই দিনে ভক্ত-দর্শকদের কাঁদিয়ে চিরবিদায় নেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা। বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের হিরো বলা হতো তাকে। চিত্রালীর সম্পাদক প্রয়াত আহমদ জামান চৌধুরী নায়ক রাজ্জাককে ‘নায়করাজ’ উপাধি দিয়েছিলেন। পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশের অভিনেতা হিসেবে রাজ্জাকের সাফল্য ছিল ঈর্ষণীয়। তিনি অনেক ধরনের চরিত্রে প্রতিনিয়ত সাবলীল অভিনয় করতে পারতেন। শুধু রোমান্টিক নায়ক নয়, অ্যাকশন ও জীবনের গল্প পাওয়া যায় এমন প্রায় সব বাঙালি চরিত্রের সঙ্গে হুবহু মিলিয়ে তাকে পাওয়া গেছে। ১৯৬৬ সালে মুক্তি পায় জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘বেহুলা’। এ ছবিতে অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন রাজ্জাক। এ ছবি দিয়েই ঢাকাই চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অভিনয় জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর অসংখ্য হিট চলচ্চিত্রে আমরা তাকে নায়ক হিসেবে  পেয়েছিলাম। ১৯৪২ সালের ২৩শে জানুয়ারি কলকাতায় তার জন্ম। ১৯৬৪ সালে কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার কারণে সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। সে সময় তার অভিনয় জীবনে সবচেয়ে বড় সুযোগটি দেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান। ‘বেহুলা’ ছবির নায়কের চরিত্রে তিনি অভিনয় করান রাজ্জাককে। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই মহানায়ককে। কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘অবুঝ মন’, ‘রংবাজ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘অভিযান’, ‘মৌচোর’, ‘পাগলা রাজা’সহ প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র। ‘বেহুলা’য় লখিন্দরের ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। আর তার প্রথম নায়িকা ছিলেন সুচন্দা। তিনি সুচন্দার পর শবনম, কবরী, ববিতা, শাবানাসহ তখনকার প্রায় সব অভিনেত্রীকে নিয়ে একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দেন ঢালিউডকে। এদিকে নায়করাজের মৃত্যুবার্ষিকীতে আজকের আয়োজন প্রসঙ্গে রাজ্জাকের ছোট ছেলে নায়ক সম্রাট বলেন, বাবার মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আজ জোহরের নামাজের পর পরিবারের সকলে মিলে আমাদের বাসাতেই দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আর তিনশ ফিটের রাস্তা সংলগ্ন আমাদের একটি এতিমখানা আছে। সেখানে কোরান খতমসহ এতিম শিশুদের খাওয়াবো। বাবার জন্য সকলে দোয়া করবেন। এদিকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি, প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সদস্যরা নায়করাজ রাজ্জাকের স্মরণে দোয়া ও তার কবরস্থান জিয়ারত করবেন বলে জানা যায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nil
২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৩:৪৫

Razzak onek Boro maper Lok chilen. Tar name kho kokhono bsje montobbo koreni Amar Jana Moto.

অন্যান্য খবর