× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

মোদির সামনে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করবেন গুতেরাঁ: কুরেশি

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ৯:০১

 কাশ্মীর ইস্যু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে উত্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁ। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। জাতিসংঘ মহাসচিব বর্তমানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে অবস্থান করছেন প্যারিসে। তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন কুরেশি। এরপরই তিনি ওই সংবাদ সম্মেলন করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। সংবাদ সম্মেলনে কুরেশি বলেন, বিতর্কিত ভূখণ্ডে নয়া দিল্লি অবৈধ দখলদারিত্ব চালিয়েছে। ভারত দখলিকৃত কাশ্মীরে মানবিক সংকটের বিষয়ে তিনি আবারো অ্যান্তোনিও গুতেরাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কুরেশি বলেন, তার কথা ধৈর্য্যসহকারে মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তারপর তিনি কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে তার ভূমিকা রাখার সব সময়ের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত চায় না এর সমাধান সামনের দিকে অগ্রসর হোক। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিত গুতেরাঁ বলেছেন, ভারত দখলীকৃত কাশ্মীরের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ। এ সমস্যায় অব্যাহতভাবে ভূমিকা রেখে যাবে জাতিসংঘ। কুরেশি বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতি দাবি করে যে, দক্ষিণ এশিয়া সফর করা উচিত জাতিসংঘ মহাসচিবের। কুরেশির ভাষায়, আমি তাকে আজাদ কাশ্মীর সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। সেখানকার জনগণ তার আগমনের জন্য অপেক্ষা করবে। তিনি যেখানেই যেতে চান আমরা তাকে সেই সুযোগ দেবো। তিনি যার সঙ্গেই কথা বলতে চান, আমরা তার সঙ্গেই তাকে কথা বলতে দেবো। তার উচিত দখলীকৃত কাশ্মীর সফরে তাকে অনুমতি দেয়ার দাবি করা, যাতে তিনি নিজে দেখে আসতে পারেন সেখানে কি ঘটছে। তিনিই তখন বিশ্ববাসীকে এ সম্পর্কে জানাতে পারবেন। আর সেখানে যে মানবিক সংকট চলছে তার ইতি ঘটাতে তখন তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কাশ্মীর অঞ্চলে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে জাতিসংঘ মহাসচিবকে অবহিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশি। তিনি বলেন, কাশ্মীরি জনগণ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে প্রতিবাদ বিক্ষোভ বের করেছিলেন। এ সময় তাদের ওপর ভারতীয় সেনারা কাঁদানে গ্যাস ও গোলা নিক্ষেপ করেছে। এ বিষয়ে আমি জাতিসংঘ মহাসচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের মৌলিক অধিকার হলেও বহু মসজিদ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। ভারতীয় সেনাদের গোলার আঘাতে বহু কাশ্মীরি আহত হয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর