× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

নোয়াখালী রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়োগ বাণিজ্যের তদন্ত চলছে

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৮:১১

 নোয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রাজস্ব খাতে ১২ পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের তদন্ত চলছে। সদর উপজেলার মফিজ উল্ল্যার পুত্র আবুল কালাম দুদকে একটি অভিযোগ করেছেন। ওই অভিযোগে দুদক ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে নেমেছে। জেলা রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে প্রকাশ স্থান সংকুলান না হওয়া সত্ত্বেও গত ৬ মাস থেকে শতাধিক নকলনবিশকে লাখ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতি মহোৎসবের মাধ্যমে বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেয়াকে কেন্দ্র করে পুরাতন নকল নবিসদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ১৯৮৮ সালের আদালতের একটি রায়ে টিসি মোহরাররা রেজিস্ট্রেশন শাখায় আসতে হলে পদোন্নতি পেয়ে আসতে হয়। কিন্তু বিধি ভঙ্গ করে সমপদে রেজিস্ট্রেশন শাখায় উচ্চমান সহকারী পদে আলমগীর নোয়াখালীতে আসলে বিভাগীয় মামলা করেন শিহাব মাহমুদ। তাকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রত্যাহার করায় মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ট্রাইব্যুনাল মামলা হয়। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, জেলা রেজিস্ট্রার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩০৮ (গ) অনুচ্ছেদকে পাশ কাটিয়ে ১২ সরকারি পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করায় ৩৭২ নকল নবিসদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ চলছে। ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম ও জালিয়াত সিন্ডিকেটের আদলে জিম্মি এ অসাধু কর্মর্কতা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস স্মারক নং ৫৭৭ (৩৬) তাং ২০শে আগস্ট ৯ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষের টাকার হিসাব না মিলায় ৩ দফায় চিঠি প্রেরণ করেন। সে মোতাবেক নকলনবিশ মো. ফখরুল ইসলাম ও নুরুল আমিনের এসএসসি সার্টিফিকেট না থাকা সত্ত্বেও তাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করায় ফুঁসে উঠছে নিয়োগ বঞ্চিতরা। আলোচিত এ রেজিস্ট্রার ওই নিবন্ধন ম্যানুয়াল দেখিয়ে দীর্ঘ ১ যুগ থেকে খালি থাকা জেলা অফিসের নিম্নমান সহকারী পদে দাখিল সার্টিফিকেট থাকার অজুহাতে ও ভাগ বাটোয়ারার চুক্তি না হওয়ার কারণে জ্যেষ্ঠ মোহরারকে প্রমোশন দেননি। জানা গেছে, কবিরহাট উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের মোহরার দুলাল বাবু থেকে লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাকে পদায়ন করেননি। অথচ একইভাবে লিখিত নিয়ে সেনবাগ অফিসের টিসি মোহরার দাখিল সার্টিফিকেটধারী অহিদুল ইসলাম মিন্টুকে ম্যানুয়াল’র বিধি বহির্ভূতভাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা করছেন বলে একাধিক সূত্র জানায়। জেলা অফিসের ব্যাপক বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যে ফুঁসে উঠেছে বৈধ কাগজপত্রধারী পদবঞ্চিতরা। অভিযোগকারী জানায় সেনবাগ নকলনবিশ ইলিয়াসের নিকট ২০ লাখ টাকা দাবি করে ব্যর্থ হয়ে সেনবাগের এস আর অফিসের নকলনবিশ আবুল হাসেমকে সরাসরি টিসি সহকারী পদে পদোন্নতি দেয়ার আয়োজন করায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান জানান, ২০১১ সাল থেকে বন্ধ থাকা নিয়োগ ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে আবার চালু হলে ইংরেজি নিবন্ধন ম্যানুয়েল অনুযায়ী মহা-পরিদর্শক নিবন্ধন (আই.জি.আর) অফিসে প্যানেল তৈরির মাধ্যমে চাকরির সুপারিশ করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর