× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

পাল্টাপাল্টিতে উত্তাল জাবি

অনলাইন

জাবি প্রতিনিধি | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৪:২৭

উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে এবং পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘বিঘ্ন সৃষ্টি’ ও ভিসির বিরুদ্ধে ‘মিথ্যাচারের’ প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌন মিছিল করেছে ভিসিপন্থি শিক্ষক সংগঠন ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’। অন্যদিকে একই সময়ে ৩ দফা দাবি আদায়ে গণসঙ্গীতের আয়োজন করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে মৌন মিছিলটি শুরু হয়ে পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যাপক আলমগীর কবিরের সঞ্চলনায় সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার বলেন, ভিসি আহবান জানিয়েছেন, আমরা আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধান করবো। আমরা যেন কেউ-ই বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল না করি। আন্দোলনকারীরা যে ৩ দফা দাবি দিয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা পরিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখবো। বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবকিছুর ওপরে যেন বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থান দেই।

মৌন মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমেদ, অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন, অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ, অধ্যাপক রাশেদা আখতার, অধ্যাপক কৌশিক সাহা, অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ হেল কাফী, অধ্যাপক খালিদ কুদ্দুস, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, রবীন্দ্রনাথ হল সংলগ্ন এলাকা থেকে নির্মাণাধীন হল অন্যত্র সরানো, মহাপরিকল্পনার পুনর্বিন্যাস এবং ভিসি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তসহ আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে দিনভর গণসংযোগ চালিয়েছে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারের শিক্ষার্থীরা।

গণংযোগ শেষে আজ সোমবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বরে গণসঙ্গীতের আয়োজন করেন আন্দোলনকারীরা। অনুষ্ঠানে নরারুণ ভট্টাচার্যের ‘এই মৃত্যু, উপত্যাকা আমার দেশ না’ কবিতা আবৃতি করেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু। ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে, নোঙর তোলো তোলো, সময় যে হলো হলো’ ‘কারার ঐ লোহ কপাট’ ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ ‘মুক্ত করো ভয় আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়’সহ নানা প্রতিবাদী গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন  জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা।

অপরদিকে, আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থগিত হওয়া বৈঠক আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার বসার আহবান জানানো হয়েছে। আমরা সবার সঙ্গে এখনো আলোচনা করিনি। তবে আশা করি সেদিন বসতে পারবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর