× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

বিদায় বেলায় কাঁদলেন জেল সুপার বজলুর

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার থেকে | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:২৪

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মীদের এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলি হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। জেল সুপার বজলুর রশীদ বদলি হয়ে চলে গেলেও কক্সবাজারে রয়ে যাবে তার অনেক কর্মময় স্মৃতি। তিনি বলেন, বিগত ১ বছর যাবৎ কক্সবাজার জেলায় চাকরির সুবাধে বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। একজন কর্মকর্তার মাঝে যে মানব সম্পদ উন্নয়ন, কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতিকে বাস্তবায়ন ও সৃজনশীলতা থাকা উচিত, এসব গুণাবলি ওনার মধ্যে বিদ্যমান ছিল। কারা অভ্যন্তরীণ এবং বাইরে তিনি যে সকল কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন, তা কারাগারে কর্মরত এবং আগত কর্মীরা গভীরভাবে স্মরণ করবেন। তিনি যে স্টেশনে যাবেন আশা করছি, তিনি তার সৃজনশীল কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখবেন। কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃক আয়োজিত জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার রীতেশ চাকমার সভাপতিত্বে ও ডেপুটি জেলার মনির হোসেনের পরিচালনায় বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের যোগদানের পর থেকে কারাগারের বন্দিদের কল্যাণে করা তার অতীত অনেক কর্মের স্মৃতিচারণ করে সকলেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। আনন্দ-বেদনার এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুমেন মণ্ডল, কক্সবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ। বক্তব্য রাখেন সর্বপ্রধান কারারক্ষী আমিনুল ইসলাম, সার্জেন্ট মামুনুর রশিদ ও কারারক্ষী ছৈয়দ নুর।
বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ বলেন, দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবৎ কক্সবাজার কারাগারে কর্মরত ছিলাম। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কারা অভ্যন্তর এবং বাহিরে উন্নয়নের গতিতে ত্বরান্বিত করে বাস্তবায়ন করেছি। দেশের স্বার্থে কারাগারে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনেক সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এসব কারণে কোনো কারারক্ষী মনঃক্ষুণ্ন করলে তিনি উপস্থিত সকল কারা কর্মীদের প্রতি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান। তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার কারাগারে দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবৎ প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। চেষ্টা করেছি, কারাগারকে মডেল কারাগারে রূপান্তরে। বাকি চাকরি জীবন যাতে সফলতা ও সুনামের সঙ্গে সম্পাদন করতে পারি, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর