× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

তালতলীতে সরকারি রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে ৫ পরিবার

বাংলারজমিন

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:৫৬

বরগুনার তালতলী উপজেলার কলারং গ্রামের প্রভাবশালীদের বাড়ির সামনের সরকারি মাটির রাস্তায় জাল দিয়ে বেড়া দেয়া হয়েছে। এতে ওই এলাকার ৫ পরিবারের সদস্যদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে পাশাপাশি স্কুলে যেতে পারছে না ওইসব পরিবারের শিক্ষার্থীরা। রোববার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, এই রাস্তাটি বন্ধ হওয়ায় ফসলি জমি দিয়ে যাতায়াত করছে ওই পাঁচ পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জনৈক সোনা মিয়া ফকির খতিয়ানসহ ওই জমি পার্শ্ববর্তী গ্রামের আয়জদ্দিন ও বয়জদ্দিনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। এদিকে ২০১৫ সালে তৎকালীন ইউপি সদস্য শহীদ শিকদার পাঁচটি পরিবারের চলাচলের জন্য ওই জমির ওপর দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা তৈরি করে দেন। কিন্তু সোনা মিয়া ও তার পুত্র মাহবুব ফকির ওই জমির মালিকানা দাবি করে ওই জমিতে বেড়া দেয়ায় রাস্তাটি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই পাঁচ পরিবারের সদস্যদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রশিদ তালুকদার, সুলতান আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, আউয়াল ও দুলাল জানান, তাদের চলাচলের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রাস্তাটি করে দেয়া হয়। কিন্তু সোনা মিয়া ও তার পুত্র মাহবুব ফকির জাল দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয় এবং তাদের এ পথ দিয়ে চলাচল করতে নিষেধ করেন। এলাকায় তাদের প্রভাব থাকায় নিষিদ্ধ ওই ৫ পরিবার ভয়ে কিছু বলতে পারছে না। এমনকি স্থানীয় মেম্বারদের কোনো কথাও শোনেন না ওই প্রভাবশালীরা। ভুক্তভোগী ওই পাঁচ পরিবারের তিনজন প্রতিবন্ধী থাকায় তাদের চলাচলে দুর্ভোগ এখন চরমে উঠেছে। স্থানীয় নারী মেম্বার রানু আক্তার বলেন, ‘আমি মাহবুব ফকিরকে রাস্তাটি খুলে দেয়ার জন্য বহুবার অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা আমার কথা শোনেনি। উল্টো আমার ওপর চড়াও হয়েছে।’ এদিকে সোনা মিয়া ও তার পুত্র মাহবুব ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এ জমি আমাদের। এ জমির উপর দিয়ে ওরা কোনো পথ পাবে না। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দীপায়ন দাস শুভ বলেন, ‘বেড়া দিয়ে রাস্তা আটকে রাখার অভিযোগ শুনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত পরিদর্শন পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর