× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

বাংলারজমিন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৪৪

বার বার মিথ্যা মামলা, সুকৌশলে অন্যের জমি দখলের চেষ্টা, বিভিন্ন ষড়যন্ত্রসহ নানা হুমকির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সকল প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কুদরত ই খুদা মিলন। গতকাল দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি জিন্নাত আরা রোকেয়া চৌধুরী ও আবদুল হামিদ তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন। জিন্নাত আরা গং ১৯৯৭ সালে বাংলাবান্ধায় এসএ ২৩৪ নং খতিয়ানে ৬৭ নং দাগে ৬৬ শতক জমি ক্রয় করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে অদ্যাবধি দখলে রয়েছেন। শুধুমাত্র দলিলের ৬৭ ও ৬৫ দাগ উল্লেখ করে দাতারা ৬৭ দাগে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পরও তিনি নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ৬৫ দাগের অর্ধেক জমি দাবি করেন। পরবর্তীতে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করলে তহশিলদার ও সার্ভেয়ার সরজমিন তদন্তকালে জিন্নাত আরার ৬৭ দাগে ৬৬ শতক জমির দখল সুস্পষ্ট হয়। এতে জিন্নাত আরার ৬৫ দাগের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে প্রতীয়মান হয়। অপরদিকে তেঁতুলিয়ার দেবনগর এলাকার বালুবাড়ি গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে আবদুল হামিদ বাংলাবান্ধায় পাথর ব্যবসা করার জন্য গত এক বছর আগে ঝাড়ুয়াপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আবদুস সাত্তারের নিকট হতে ৮৮ দাগের ৪০ শতক জমি ভাড়া নেন। ওই জমির প্রকৃত মালিক বগুড়ার ময়নুল হক সুলতান গং। তারা ১৯৯৭ সালে আবদুস সাত্তার ও তসির উদ্দিনের নিকট থেকে ৩১৮নং দলিল মূলে মালিক হন। জমির দাতারা দলিলের সম্পত্তি চিহ্নিত করে যার পশ্চিমে পাকা রাস্তা উত্তর দক্ষিণে জমির মুখ ১১৭ ফুট উল্লেখ করে জমির দখল বুঝিয়ে দেন। জমির দখল বুঝে দেয়ার পর জমির মালিক ময়নুল হক সুলতান গং ওই জমি রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য জমির দাতা আবদুস সাত্তারকে দায়িত্ব দিলে তিনি ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। ওই জমি ভাড়া নেয়ার পর আবদুল হামিদ আবদুস সাত্তারকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে আবারো ৪০ শতক জমি সাব রেজিস্ট্রি করে নিয়ে ওই জমিতে ঘর উত্তোলন করেন। তিনি আবদুস সাত্তারকে বোঝান জমির মূল মালিকরা বগুড়ায় থাকেন। তারা কোনোদিন জমি দখল নিতে পারবে না। পরবর্তীতে জমির মূল মালিক ময়নুল হক গং বিষয় জানতে পেরে আমার কাছে দলিলপত্র নিয়ে হাজির হন। এ নিয়ে আবদুল হামিদকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে জানান এবং ওই জমি ক্রয়ের প্রস্তাব দিলে ময়নুল হক সুলতান গং তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী সময়ে চলতি বছরের ৫ই ফেব্রুয়ারি জমির মূল মালিক ময়নুল হক সুলতান গং ওই জমি সাইদুল ইসলাম, আজিজার রহমান ও তহিদুল হকের কাছে বিক্রয়ের জন্য বায়নামা রেজিস্ট্রি করে দেন। এর পর থেকেই আবদুল হামিদ একের পর এক মিথ্যা মামলা ও সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা অভিযোগ প্রদানসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে আসছে। আবদুল হামিদ আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘর জ্বালা মামলাসহ বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করে আসছে। শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, অনেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাথর বাকি নিয়ে আবদুল হামিদ বাকি টাকা না দেয়ার ষড়যন্ত্রে ওই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা করে। এখানেই শেষ নয়, প্রতারক আবদুল হামিদ প্রকাশ্যে মানুষের সামনে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে যে, তার কাছ থেকে জমি নেয়া হলে তার গর্ভবতী স্ত্রী ও গর্ভের সন্তানকে হত্যা করে আমার ও পাওনাদার পাথর ব্যবসায়ীদের নামে হত্যা মামলা আনয়ন করবে। এ সময় ভুক্তভোগী শাহজাহান আলী, আজিজার রহমান, সাইফুল ইসলাম, তহিদুল হক, আতাউর রহমান, সাবুল, আবু কালাম, আবদুর রশিদ, আমিরুল ইসলামসহ এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর