× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জরুরি বৈঠক

প্রথম পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৫৯

পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। প্রায় সোয়া ঘণ্টা স্থায়ী ওই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায়  এসেছে রোহিঙ্গা সংকট এবং কক্সবাজারস্থ ক্যাম্প এলাকায় মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) কার্যক্রমের বিষয়টি। প্রত্যাবাসন নিয়ে চীনের মধ্যস্থতা এবং আগামী দিনে বাংলাদেশে সরকারের চিন্তার বিষয়েও কথা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের আলোচ্যসূচির বিষয়ে মুখ খুললেও আলোচনার বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে। সূত্র এ-ও জানায় আসন্ন ৭৪তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতিতে থাকা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অধিবেশন এবং সাইড লাইন ইভেন্টগুলোতে আলোচনা করতে চায়। এ নিয়ে সচিব-রাষ্ট্রদূত আলোচনা হয়েছে। তবে নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কোন প্রতিনিধির সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কোন বৈঠক হচ্ছে কি-না? সেটি এখনও খোলাসা করেনি কোন পক্ষই। উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা এনজিওগুলোর বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণ জানতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার রোববার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেন। শাসক দলের গুরুত্বপূর্ণ ওই নেতার সঙ্গে বৈঠকের পর সোমবার বিকালে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন রাষ্ট্রদূত। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এনজিওদের বিষয়ে সরকারের কাঠোর অবস্থানের কারণ জানতে চেয়েছে। সরকারের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে- কিছু এনজিও’র কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের কাছে অভিযোগ এসেছে। এনজিওগুলো মোনাজাত করার কথা বলে সরকারের কাছ অনুমতি চেয়ে উখিয়ায় রাজনৈতিক মহাসমাবেশ করেছে। অভিযোগ রয়েছে রোহিঙ্গা মহাসমাবেশে এনজিওগুলোর প্রত্যক্ষ সহায়তা ছিল। অভিযুক্ত এনজিওগুলোর বিষয়ে সরকার আরও খোঁজ-খবর নিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী গণমাধ্যমকে সেদিন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য দেশে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছেন। তবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়সহ তাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উদারতা দেখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র তার ভূয়সী প্রশংসা করেছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তার সঙ্গে পুরোপুরি একমত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বলেন, মানবিক কারণে আশ্রয় দিলেও ১১ লাখ বাড়তি লোকের বোঝা বাংলাদেশ এখন আর বহন করতে পারছে না। তাদের অবস্থান প্রবলম্বিত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে নানামুখি সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত ভিন্নমত পোষণ করেননি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর