× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
আলাপন

‘ছবির ট্রেইলার দেখে আমিও মুগ্ধ’

বিনোদন

এন আই বুলবুল | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৯:৪৬

দুই পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। আগামী ২৭শে সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত ‘সাপলুডু’ চলচ্চিত্রটি। এটি নির্মাণ করেছেন গোলাম সোহরাব দোদুল। এরইমধ্যে এ ছবির ট্রেইলার দর্শকের মধ্যে দারুণ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ছবিটি নিয়ে রুনা খানও বেশ আশাবাদী। তিনি বলেন, গোলাম সোহরাব দোদুলের সঙ্গে অনেক নাটক ও টেলিছবিতে কাজ করেছি। সে অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, অন্য সবার চেয়ে তার গল্প বলার ভঙ্গি একটু আলাদা। ‘সাপলুডু’ তার পরিচালনার প্রথম ছবি হলেও দর্শক মনে ছাপ ফেলবে- এমন আশা করা যায়। অনেকের মতো ছবির ট্রেইলার দেখে আমিও মুগ্ধ। ছবিতে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেও আমি তৃপ্ত। পর্দায় আমার চরিত্রটি অল্প সময় দেখা গেলেও গল্পের প্রয়োজনে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ অভিনেত্রীর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি হলো ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘কালো মেঘের ভেলা’। কবি নির্মলেন্দু গুণের উপন্যাস অবলম্বনে মৃত্তিকা গুণ এ ছবিটি নির্মাণ করেছেন।

এ ছবিটিও বোদ্ধামহলে দারুণ প্রশংসিত হয়। গেল ঈদে চ্যানেল আইতে এটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। রুনা খান বলেন, নির্মলেন্দু গুণের মতো বড় মাপের সাহিত্যিকের গল্পে অভিনয় করা যে কারও জন্য আনন্দের। এর চেয়ে বড় বিষয় হলো, আমার রোজী চরিত্রটি যতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, ঠিক তেমনই সুযোগ ছিল পর্দায় নিজেকে নতুন রূপে তুলে ধরারও। শিল্পী হিসেবে এটি আমার স্বার্থকতা বলতে পারি। এর আগে এই অভিনেত্রীর ‘ছিটকিনি’, ‘হালদা’, ‘গহিন বালুচর’ চলচ্চিত্রগুলো দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলে। রুনা খান এখন টিভি ধারাবাহিকে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার হাতে আছে ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘জোছনাময়ী’, ‘দ্য গুড দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’সহ বেশ কিছু ধারাবাহিক নাটক। প্রতিদিন ধারাবাহিক ও খন্ড নাটকের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে হয়। সেক্ষেত্রে বিচার বিশ্লেষণ করে কাজ করার সুযোগ কতটুকু পান? এই প্রশ্নের উত্তরে রুনা বলেন, সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না। কোনো নাটকে গল্পের ধারাবাহিকতা হারিয়ে যায়, যেজন্য দর্শক নাটক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অনেক সময় গল্প ভালো হলেও নির্মাণ মনের মতো হয় না।

তার পরও অনেকে ভালো কাজ করছেন, স্বল্প বাজেটেও ভালো কিছু করে দেখানোর চেষ্টা থেমে নেই। আমরা যারা শিল্পী তারাও ভালো কাজই করতে চাই। যেখানে নিজের চরিত্র বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার সুযোগ আছে সেটাকে গুরুত্ব দিই। অভিনয় আমার পেশা ও নেশা। অভিনয় দিয়েই দর্শকের কাছে গল্প ও চরিত্র বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে- এটাই মেনে চলি। ভালো-মন্দের বিচারক দর্শক। তাই কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ, তা আগে নির্ধারণ করাও কঠিন। তবে যে গল্প ও চরিত্র ভালো লাগে এবং যেসব নির্মাতার কাজে নিজস্বতার ছাপ আছে, তাদের প্রাধান্য দিই। এ সময়ে নাটকে বেশ কিছু সমস্যার কথা শোনা যায়। তারমধ্যে বাজেট সংকট অন্যতম।

পাশাপাশি ভালো স্ক্রিপ্টের অভাব আছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। এ নিয়ে আপনার বক্তব্য কি? রুনা বলেন, গেল কয়েক বছর ধরে আমাদের নাটকে বাজেট সংকট লেগে আছে। সব কিছুর দাম যেখানে বেড়েছে সেখানে আমাদের নাটকের বাজেট কমে গেছে। বিষয়টি আমাদের জন্য খুব কষ্টের। বাজেট সংকটের কারণেই অনেক নির্মাতা দায়সারা ভাবে কাজ শেষ করেন। ভালো স্ক্রিপ্ট রাইটারের কাছ থেকে গল্প না নিয়ে নিজেদের মতো নাটক নির্মাণ করছে। বাজেটের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত থাকে। পর্যাপ্ত বাজেট পেলে নির্মাতারা ভালো কাজ করার সুযোগ পেত বলে আমি মনে করি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর