× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

হত্যা মামলায় জহিরকে গ্রেপ্তারে ফুঁসে উঠেছে বীরগাঁও

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৩৫

 আওয়ামী লীগের মনোনয়নে গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী তরুণ সমাজকর্মী সাংবাদিক জহির রায়হানের গ্রেপ্তারে ফুঁসে উঠেছেন নবীনগরের বীরগাঁও ইউনিয়নের মানুষ। গতকাল জেলা শহরে ওই এলাকার সর্বস্তরের মানুষ মানববন্ধন করে তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানান। হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ষড়যন্ত্রমূলক জহির রায়হানকে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। যার নাটেরগুরু ইউপি নির্বাচনে জহির রায়হানের প্রতিদ্বন্দ্বী বীরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির আহমেদ এই অভিযোগ করে বলা হয় চিহ্নিত দাঙ্গাবাজ এই চেয়ারম্যানকে এর আগে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি থেকে ৩ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এদের পরিকল্পনায় পাশের ইউনিয়নে সংগঠিত হত্যা ঘটনায় ৯৩ নম্বর আসামি করা হয় জহিরকে। ওই ষড়যন্ত্রকারীদের তৎপরতাতেই এখন তাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন)। অবিলম্বে জহিরের মুক্তি এবং মামলা থেকে অব্যাহতির দাবি জানানো হয় মানববন্ধনে। প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ নৌকায় করে জেলা শহরে এসে মানববন্ধনে যোগদেন নানা বয়সী মানুষ। জহির রায়হানকে শহরের কাউতলীর একটি হোটেলে ডেকে নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় গত ৬ই সেপ্টেম্বর। এর দু-দিন পর বাইশমৌজায় সর্বস্তরের মানুষ প্রতিবাদ সভা করে এই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানায়। বীরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে করা গতকালের মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন সরকার, বাইশমৌজা বাজার ও কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী আরিফ মিয়া, বীরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী ধন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, প্রবীণ ইউনিয়ন  আওয়ামী লীগ নেতা অলি আহমেদ, জহির রায়হানের ছোট ভাই মাজহারুল হক, বিশিষ্ট সরদার ফুল মিয়া, ইউসুফ মেম্বার ও সিরাজুল ইসলাম শান্ত প্রমুখ। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গৌরনগর গ্রামে গোষ্ঠীগত দাঙ্গার জেরে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় শরীফ উদ্দিন বাদী হয়ে ১০৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর