× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

রোহিঙ্গা তরুণের পাসপোর্ট নিয়ে দুই এসআইকে অব্যাহতি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৫৯

নোয়াখালী থেকে তিন রোহিঙ্গা তরুণের পাসপোর্ট করার ঘটনায় পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) দুই সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তারা হলেন-আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল হুদা। রোববার নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনের আদেশে তাদের জেলা পুলিশ লাইসেন্স সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য সরজমিনে ওই ঠিকানা যাচাইয়ের পর নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে প্রতিবেদন জমা দেয়ার দায়িত্বে ছিলেন ডিএসবির এএসআই আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল হুদা। ১২ই সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে এএসআই আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল হুদাকে কারণ দর্শানোর আদেশ দেয়া হয়। শুক্রবার তাদের কাছ থেকে পাওয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সুপার আরও জানান, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান শেখকে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৫ই সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী তিন রোহিঙ্গা তরুণকে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরা হলো, মোহাম্মদ ইউসুফ, মো. আজিজ ও মোহাম্মদ মুছা। তিনজনই কক্সবাজারের উখিয়ার হাকিমপাড়ার শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা দালাল ধরে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট করার কথা স্বীকার করে। ওই তিন যুবক তাদের পাসপোর্ট আবেদনে নিজেদেরকে জেলার সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের বাসিন্দা দেখিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ জমা দেয়। কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের দাবি, তিন রোহিঙ্গা তরুণের নামে জন্ম নিবন্ধন সনদ ও নাগরিকত্ব সনদের যে কপি পাসপোর্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে, সেরকম কোনও সনদ তারা দেননি। তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদে ইস্যুর তারিখ দেখানো হয়েছে ২০১৫ সালের ২৮শে জানুয়ারি। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের নিবন্ধন রেজিস্ট্রার বা অনলাইন সার্ভারে এর কোনও অস্তিত্ব নেই। মুছা ও আজিজের নামে দুটি নাগরিকত্ব সনদেই সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়েছে ১৪৮৭। অথচ একটি নম্বরে একাধিক সনদ দেয়ার সুযোগ নেই। চেয়ারম্যান বলেন, আমরা অনলাইনে দেখেছি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদগুলো ইস্যু করা হয়নি। এটা ভুয়া।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর