× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

ফারুক আবদুল্লাহর আটক নিয়ে ভারতে সমালোচনার ঝড়

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৮:৪০

কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহর আটক নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে ভারতে। সোমবার তাকে জননিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়েছে। এই আইনের অধীনে যে কাউকে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই দুই বছর অবধি আটকে রাখতে পারবে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ সহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আব্দুল্লাহর আটকের সমালোচনা করেছেন। জননিরাপত্তা আইনকে ড্রাকোনিয়ান আইন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বলেছেন, এতে বিপজ্জনক এক নজির স্থাপিত হয়েছে। এর আগে আগস্ট মাসে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের আগ দিয়ে তাকে গৃহবন্দি করা হয়। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাই মঙ্গলবার টেলিভিশনে সমপ্রচারিত এক অনুষ্ঠানে আব্দুল্লাহর আটকের সমালোচনা করেন।
বলেন, একজন ৮১ বছর বয়সী রাজনীতিবিদ যদি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয় তাহলে কাশ্মীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে সরকার যে দাবি করেছে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। আব্দুল্লাহর আটক নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)’র নেতা সিতারাম ইয়েচুরিও। তিনি সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘কাপুরুষোচিত’ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বলেছেন, দেশের সুসময় ও দুঃসময়ে আব্দুল্লাহ ভারতকে সমর্থন দিয়েছেন। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস পার্টির নেতা সালমান খুরশিদ বলেছেন, আব্দুল্লাহ ভারতের অখণ্ডতা ও একতা ধরে রেখেছেন। আঞ্চলিক নেতা এম কে স্টালিন এক টুইটে বলেছেন, সরকারের এই পদক্ষেপ স্বৈরাচারী, মাত্রাতিরিক্ত ও বেআইনি।

প্রসঙ্গত, তামিলনাডুর আঞ্চলিক নেতা ভাইকো সোমবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আব্দুল্লাহকে আদালতের সামনে হাজির করার আবেদন জানান। তিনি অভিযোগ করেন, আব্দুল্লাহ ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য ছিলেন কিনা সে বিষয়ে বিতর্কিত দাবি রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ভাইকোর আবেদনের কয়েক ঘণ্টা পরই আব্দুল্লাহকে জননিরাপত্তা আইনের অধীনে আটকের ঘোষণা দেয়া হয়।
গত মাসে সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় ভারত সরকার। এরপর থেকে কয়েক হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরাও রয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর