× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

ভালোলাগা থেকেই চারুকলায় আসা

ষোলো আনা

ষোল আনা ডেস্ক | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:২৭

প্রতিটি মানুষ জীবনে স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ সকলে পান না। যারা পান তারাই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার রশদ। মানুষের জীবনের স্বপ্নগুলো স্বচ্ছ কাচের মতো। মানুষ স্বপ্ন দেখে আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্পৃহা নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। অনেকের স্বপ্ন ডাক্তার, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, খেলোয়াড় ইত্যাদি হওয়া। কিন্তু আমি ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম রং তুলি নিয়ে। এভাবেই বলছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী রাইয়ান বসুনীয়া।

তিনি আরো বলেন, নিজের জীবনের সকল ভালোলাগা রাঙিয়ে দিতে চাই ক্যানভাস দিয়ে।
মনের কথা, সমাজের কথা বলতে চাই এই ক্যানভাসে রঙের আঁচড়ে। একজন শিল্পীর মনে থাকে ছবি আঁকার আকাঙ্ক্ষা। থাকে রঙের মাঝে হারিয়ে যাবার প্রেরণা।প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে চারুকলার শিক্ষার্থীদের জুড়ি নেই। অনেকে পড়াশোনা শেষে চাকরি না করলেও ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সুযোগ আছে অ্যাডফার্ম পরিচালনা করার। আর দেশের বাইরে রয়েছে চারুকলার ব্যাপক চাহিদা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, টেলিভিশন চ্যানেলে সেট ডিজাইনার, প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোতে ডিজাইনার, ইন্টেরিয়র এক্সটেরিয়র, ফ্যাশন ডিজাইনার ইত্যাদি নানা খাতে কর্মসংস্থানের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

রাইয়ান বসুনীয়া আরো বলেন, এই পেশা কিংবা এই বিষয়ে পড়ার সিদ্ধান্তটা যেন হঠাৎ করে না হয়। ছোট বেলা থেকেই যাদের স্বপ্ন কিংবা রং তুলির সঙ্গে পরিচিতি তারাই আসবেন এই পেশায়। এটি অনার্সে এসে হাতেখড়ি হবার বিষয় নয়। আবার অনেক পরিবার মনে করেন চারুকলায় পড়া মানেই বখে যাওয়া। এর জবাবে বলব, চারুকলায় পড়া ও কল্পনাকে কাজে লাগিয়ে আঁকার কারণে অনেক সময় উদাসীনতা চলে আসে। কিন্তু এটাকে বখে যাওয়া বলা যায় না। আর আপনার সন্তান যেকোনো বিষয়ে পড়লেই বখে যেতে পারে। যাদের চারুকলার প্রতি আগ্রহ আছে তারা সুযোগ হলে পড়তে পারেন। পাবেন নিজেকে রাঙিয়ে নেবার সুযোগ। কাজ করতে বিরক্তির বদলে মিলবে মজা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর