× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৪ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার
স্মরণ

মনে পড়ে তোমায়

ষোলো আনা

ষোলো আনা ডেস্ক | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:১৫

সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ২৭শে ডিসেম্বর ১৯৩৫ সালে। প্রখ্যাত এই বাংলাদেশি সাহিত্যিক কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদসহ সাহিত্যের সব শাখায় তার বিচরণ। তিনি ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ১৯৮৪ সালে লাভ করেন একুশে পদক এবং ২০০০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার। সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম কুড়িগ্রাম জেলায়। তার বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ছিলেন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ও মা হালিমা খাতুন গৃহিণী। তিনি আট ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়।

তিনি ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিক পাস করে মুম্বই পালিয়ে যান। সেখানে এক সিনেমা প্রডাকশন হাউসে সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
বছর খানেক পর ফিরে এসে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫৪ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। তবে শেষ করা হয়নি তার। ১৯৫৬ সালে পড়ালেখা ছেড়ে দেন এবং সে বছরই তার প্রথম উপন্যাস দেয়ালের দেশ প্রকাশিত হয়।

বাবার মৃত্যুর পর চিত্রনাট্য লিখে চলতে শুরু করেন। মাটির পাহাড়, তোমার আমার, শীত বিকেল, কাঁচ কাটা হীরে, ক খ গ ঘ ঙ, বড় ভালো লোক ছিল, পুরস্কারসহ আরও বেশকিছু চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেন। ১৯৭১ সালে নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ ত্যাগ করে লন্ডন চলে যান। সেখানে বিবিসি’র বাংলা খবর পাঠক হিসেবে চাকরি গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের খবরটি পাঠ করেছিলেন।

সৈয়দ হক প্রথিতযশা লেখিকা ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হককে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। এছাড়া সৈয়দ হকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে- এক মহিলার ছবি, অনুপম দিন, সীমানা ছাড়িয়ে, খেলারাম খেলে যা ইত্যাদি। বিখ্যাত  এই ব্যক্তি ২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর