× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার
আবরার হত্যা

উত্তাল বুয়েট, অনির্দিষ্টকাল ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা আন্দোলনকারীদের (ভিডিও)

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:১১
ছবিঃ জীবন আহমেদ

ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে নিহত আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাস। দ্রুততম সময়ের খুনীদের বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ৮ দফা দাবি জানিয়ে অনির্দিষ্টকাল ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা আন্দোলনকারীরা। আজ সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটে আয়োজিত দাবি না মানলে লাগাতার আন্দোলনের আগাম ঘোষণাও দেন তারা। মৌলিক দাবির মধ্যে রয়েছে- খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; ৭২ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত খুনীদের আজীবন ছাত্রত্ব বাতিল করা, দায়েরকৃত মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে স্বল্পতম সময়ে নিষ্পত্তি করা; বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ার কারণ স্ব-শরীরে ক্যাম্পাসে এসে জানানো অর্থাৎ জবাবদিহিতা; আবাসিক হলে র‌্যাগিং এবং ভিন্ন মতাবলম্বীদের নির্যাতনকারী সকলের ছাত্রত্ব বাতিল করা; আহসান উল্লাহ এবং সোহরাওয়ার্দী হলে পূর্বের ঘটনা তদন্ত করে জড়িত সকলের ছাত্রত্ব বাতিল করে আগামী ১১ই অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে নিশ্চিত করা; ছাত্রদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ শের-এ বাংলা হলের প্রভোস্টকে ১১ই অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে প্রত্যাহার; মামলা চলাকালীন সকল খরচ এবং আবরারের পরিবারের ক্ষতিপূরণ বুয়েট প্রশাসনকে বহন করাসহ ক্যাম্পাসে সকল রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। পরে শিক্ষার্থীরা জানান, ভিসি স্ব-শরীরে এসে জবাবদিহি না করা পর্যন্ত তারা সেখানেই অবস্থান করবেন।

এছাড়া বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চুক্তি নিয়ে রোববার বিকালে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বুয়েটের ২য় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ। এর জের ধরে ওইদিন রাত ৮টার দিকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় শাখা ছাত্রলীগের নেতারা। পরে রাতভর নির্মম নির্যাতনে হত্যা করে তাকে। এ ঘটনায় আরবার ফাহাদের বাবা বাদি হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:১৯

স্বাধীন দেশে দেশ স্বার্থবিরোধী চুক্তির সমালোচনা করায় জীবন দিতে হয়, এরচেয়ে ট্রাজেডি আর কি আছে ! দিনরাত আমরা এইসব সবক এখনো শুনে যাই স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি এখন ক্ষমতায় । এই যদি হয় তার নমুনা তাহলে লেন্দুপ দর্জি, মহারাজা হরি সিং দের আত্মাও লজ্জা পাবে !

রাকিব হাসান
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:১০

দাবিগুলো চমৎকার এবং সময় উপযোগী , তবে সতর্ক থাকতে হবে এই বিচার জন্য প্রহসনে পরিণত না হয় । এর আগে বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডে এমনটি দেখা গেছে । দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই সকল শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঠে থাকা উচিত । কোটা দেশের জাগ্রত বিবেক তোমাদের সঙ্গে থাকবে ।

Fazlul hoque
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৪:৫৮

আমার মনে হয়, দেশে এখন একনায়কত্ব চলছে,, খুনির বিচার কি আদৌ হবে?? যদি যেমন তেমন এক‌টি বিচার হয় ও,, তখন জুসেফের মতো ক্ষমা করে দিবেন প্রেসিডেন্ট,,

Saleh Hasan Naqib
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ২:১৮

আবরার তার শেষ স্ট্যাটাসে অল্প কিছু যা বলেছিল, তা'ই এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত। একে ভিন্নমত বলে চালানোর চেষ্টা এক ধরণের চালবাজি। বরং আবরারের মতের সাথে যারা একমত নন তাদের মতই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভিন্নমত। এই ভিন্নমতের মূলে রয়েছে ফ্যাসিবাদের পদলেহন এবং দালালি। এই দালালি চলে স্বাধীনতার চেতনার নামে। ট্র্যাজেডি।

Md. Fazlul hoque
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১:০৫

আবরার মেধাবী ছাত্র ছিল আর আবরারদের মতো মেধাবীদের সত্য কে সত্য বলতে যাওয়াটা-ই তাদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য ।তাই তার surrounding এ প্রতিকূল পরিস্থিতির বাস্তবতা থাকা স্বত্বে ও নিজের ফেস বুক এ সত্যটিই বলার চেষ্টা করেছে।

Ruma
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১:৪৭

সম্ভবত বেঞ্চের সাথে উল্টো করে শুইয়ে বেঁধে সারা শরীরে পিশাচী কায়দায় নির্মম ভাবে পিটানো হইছে! দেশ বিরোধী চুক্তির প্রতিবাদ করায় তাকে এইভাবে মরতে হল!! তার সহপাঠীরা যদি তার মতো দেশ প্রেমিক হয় তবে হত্যার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি তারা ফাহাদের তোলা প্রশ্নেরও জবাব আদায় করে তবেই রাজপথ ছাড়বে।

Kazi
৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:২১

অনুতাপ করা ও তোমাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা ছাড়া বিদেশ থেকে আমাদের কিছুই করার নেই। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রাজনৈতিক দলীয় সংগঠন বন্ধ করার পক্ষে আমিও একমত। আমি ম্যাকগীল ইউনিভার্সিটিতে পড়েছি।এখানে ব্যক্তি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে সবাই নির্বাচন করে। যারা পাস করে তারা ছাত্র সংসদের কমিটির সদস্য হয়। তারা সমষ্টিগত ভাবে ছাত্রদের দাবীদাওয়া সরকার থেকে আদায় করে বা সম্মিলিত ভাবে আন্দোলন (সব সময় দরকার হয় না ) করে।

অন্যান্য খবর