× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

আবরার হত্যা: লজ্জিত ছাত্রলীগ

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১:১৬

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় লজ্জা প্রকাশ করেছে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলা দ্রুত বিচার আইনে পরিচালনার দাবি জানিয়েছে তারা। একইসঙ্গে খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানায় সংগঠনটি। আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ছাত্রলীগের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান বলেন, ছাত্রলীগ  কোনো অন্যায় অপকর্মের প্রশ্রয় ও উৎসাহ দেয় না, দেবে না। আবরার হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রশ্রয় দেয়া হয়নি। সাংগঠনিকভাবে তাদের ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুব দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এর বাইরে আর কারও সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদেরও যেন খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হয়।
এক্ষেত্রে ছাত্রলীগ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

নাহিয়ান বলেন, একটি কুচক্রী মহল আবরার হত্যার ঘটনায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। দেশবিরোধী চুক্তির ধোঁয়া তুলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। কিছু নামসর্বস্ব সংগঠন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এটা মেনে নিতে পারে না। ছাত্রলীগ এ ষড়যন্ত্র সর্বাত্মকভাবে মোকাবিলা করবে। তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সব নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, এ ঘটনার পরপরই ছাত্রলীগ ব্যবস্থা নিয়েছে, ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। এখন তারা লজ্জা প্রকাশ করছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আজ তিনি বার্তা দিতে চান, কোনো ধরনের অপকর্ম, আপত্তিকর ঘটনার দায় সংগঠন নেবে না। কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংগঠনে অনুপ্রবেশ করে থাকলে তারা যেন কেটে পড়েন। কোনো ধরনের অপরাধকে ছাত্রলীগ প্রশ্রয় দেবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Malek
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৮:১৬

লজ্জা তো মানুষের থাকার বিষয়, হিংস্র হায়েনার আবার লজ্জা কিসের?

Mahmud
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৭:১৯

মানুষের বাচ্চার মতো কথা বলবেন, জানোয়ারের মতো নয়। দেশবিরোধী চুক্তির ধুয়ো বলতে কি বুঝাতে চান ? এইযে সীমান্তে হত্যা হয় এই বিষয় নিয়ে প্রত্যেক সাধারণ নাগরিক কষ্ট পায়। আপনাদের কি কষ্ট লাগে ? লাগলে ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি বা প্রতিবাদ করেছেন ? করেননি ,কারণ হলো লেজ কাটা কুকুর। হিম্মত নেই ওদের উপরে কথা বলার পাছে ক্ষমতা যদি চলে যায়। কখনো কাউকে গালি দেন মীরজাফর বলে ? কেয়ামত না হলে একদিন আপনার নাম ও গালি সমার্থক হয়ে যাবে। আপনাদের কি এমন ঠেকা যে দেশের কেউ চায়না আর আপনার পানি বিলিয়ে দিয়ে আসার চুক্তি করে আসেন। ভেবেছেন কি আইন করে সারাজীবন ক্ষমতায় থাকবেন। কথা বললে হায়েনা বাহিনী দিয়ে ধরে নিয়ে গুম করবেন,নখ উপরে ফেলবেন,আমার মা কে সন্তানহারা করবেন,আমার বাচ্চাগুলোকে ইয়াতিম করবেন ? করেন। কিন্তু এই সমস্ত জুলুমের প্রতিবাদ না করলে মৃত্যুর পর ও তো জবাবদিহি হয়তো হতে হবে। মৃত্যু একদিন আসবেই।

Raju
৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৪:০০

শুধু লজ্জিত? আবার বেশীকিছু বললে তো ধরে নিয়ে "প্রাইভেট টর্চার সেল" নিয়ে....

অন্যান্য খবর