× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

ভারত যা চেয়েছে সরকার তাই দিয়েছে: অলি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৫

লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টি এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমেদ বলেছেন, সরকার বার বার ভারতের কাছে কূটনৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। ভারতের যা কিছু দরকার এই সরকার সবকিছু দিয়েছে। দেশের স্বার্থ রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ভারত জানে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচিত নয়, অনেকটা দুর্বল সরকার। নতজানু সরকার, সুতরাং তাদের কাছে যেকোনো জিনিস আদায় করে নেয়া সম্ভব। ভারতের সাথে অনেকগুলি অমিমাংসীত ইস্যু আছে, বিশেষ করে নদীর পানি। এই সরকার ২০০৮ সালের পর থেকে ক্ষমতায় আছে কোনো নদীর পানি আনতে পারেনি। অন্যদিকে, ভারতের যা দরকার সবকিছু দিয়ে দিয়েছে।
গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। কর্ণেল অলি বলেন, ছাত্রদের হাতে অস্ত্র দিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে শায়েস্তা করার জন্য। অবৈধ টাকা দিয়েছে। চাঁদাবাজি ও গুন্ডামি করার পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছে। অবুঝ ছেলে মেয়েরা রাজনৈতিক দলগুলির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এক শ্রেণীর শিক্ষকও তাদেরকে সঠিক পথে রাখার পরিবর্তে বিপথগামী করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ফলে, নতুন প্রজন্ম যারা আগামীতে সরকার পরিচালনা করবে তাদেরকে ধ্বংস করার নীল নকশা করা হয়েছে। লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। মান নাই বললেই চলে। জাতি হিসেবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৪ ভিসির দুর্নীতির অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অশান্ত। সমগ্র ছাত্র সমাজ, অভিভাবক অস্থিরতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মারামারি হত্যাকান্ড দুর্নীতি চাঁদাবাজি নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ প্রয়োজন। তাই আমরা মনে করি, অদক্ষ শিক্ষকদের চাকরি থেকে বের করে দিতে হবে। দুর্নীতিবাজ ভিসিদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। গ্রেপ্তার করে অপসারণ করতে হবে। রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি অবুঝ ছেলে মেয়েদের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। লেজুরবৃত্তির রাজনীতি পৃথিবীর কোথাও বর্তমানে নেই। এ ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর ছেড়ে দিলে হবে না। অলি বলেন, পত্রিকায় দেখেছি ২৭ জন এমপির উপর বিভিন্নভাবে গোয়েন্দারা নজর রাখছে। অনেক মন্ত্রী বস্তায় বস্তায় টাকা ও মার্সিডিজ গাড়ি নিয়েছে এখনও সরকার তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি কেন। তাদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। আমাদের দাবি অবিলম্বে এদের গ্রেপ্তার করে তাদের কাছে যে টাকা আছে জনগণের লুটের টাকা সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হোক। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জাতীয় মুক্তিমঞ্চের নেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পারওয়ার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান আসাদ, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের একাংশের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কাসেমী প্রমূখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর