× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার

এনএসআই’র সাবেক ডিজি ওয়াহিদুল হকের বিচার শুরুর নির্দেশ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:০৮

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ মামলার বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সাবেক এই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতন, হত্যা, গণহত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আসামির উপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৪শে নভেম্বর দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম, সুলতান মাহমুদ সিমন, রেজিয়া সুলতানা চমন ও তাপস কান্তি বল। অপরদিকে, আসামি ওয়াহিদুল হকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মিজানুর রহমান ও আব্দুস সোবহান তরফদার। প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা জানান, ট্রাইব্যুনাল ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ পড়ে শুনান এবং তার জানতে চায় তিনি দোষী না নির্দোষ। উত্তরে ওয়াহিদুল হক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সুবিচার প্রার্থনা করেন।
এরপর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়ে সাক্ষ্য শুরুর দিন ধার্য করেন। আসামির আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার বলেন, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন থেকে যে সমস্ত নথিপত্র বা সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আমার আসামির দ্বারা এই অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কোনো উপাদান নাই। তাই আমরা অভিযোগ থেকে আসামির অব্যাহতি চেয়েছিলাম। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। নথি থেকে জানা যায়, ওয়াহিদুল হক মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য। ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফিরে দুই বছর পর তিনি পুলিশে যোগ দেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় এবং গত শতকের শেষ দিকে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হন। ২০১৮ সালের ২৪শে এপ্রিল সকালে আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর ওই দিন বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর বারিধারার বাসা থেকে ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ২৫শে এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে ওয়াহিদুল হককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৩০শে অক্টোবর তদন্ত সম্পন্ন করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরে তদন্তে তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ পান। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৫ই ডিসেম্বর এই মামলার তদন্ত শুরু করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান। এরপর ২০১৮ সালের ৩০শে অক্টোবর এই মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়। এ মামলায় মোট ৫৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর