× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার

সিরিয়া ইস্যুতে সমালোচিত ট্রাম্প, প্রতিনিধি পরিষদে নিন্দা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:৩০

সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি সেনা প্রত্যাহারকে কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে তার এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে ভোট হয়েছে। তাতে তার দল রিপাবলিকানের অনেক সদস্য তারই বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। ওই ভোটে তার প্রতি নিন্দা জানানোর পক্ষে ভোট পড়েছে ৩৫৪টি। এর বিপক্ষে ভোট পড়েছে মাত্র ৬০টি। যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনাকে বিরল বলে বলা হচ্ছে। ওদিকে সিরিয়া ইস্যুতে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে ট্রাম্পের।
ট্রাম্প তাকে তৃতীয় শ্রেণির রাজনীতিক বলে অভিহিত করেছেন বলে খবর দিয়েছে সিএনএন টেলিভিশন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, সিরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে নিজের অবস্থানে অটল আছেন ট্রাম্প। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদ থেকে একটি যৌথ রেজ্যুলুশনে অবিলম্বে সিরিয়ায় কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগানের প্রতি। ওদিকে কংগ্রেসের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের অবনতির একটি চিত্র ফুটে উঠেছে। কারণ, হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠককে বদমেজাজি আখ্যা দিয়ে সেখান থেকে ওয়াকআউট করেছেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও সিনেট সংখ্যালঘু নেতা চার্লস শুমার। পরে চার্লস শুমার বলেছেন, ন্যান্সি পেলোসি যখন বলেন প্রেসিডেন্ট ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তখন তাকে আক্রমণ করে কথা বলেছেন ট্রাম্প। তিনি ন্যান্সি পেলোসিকে একজন তৃতীয় শ্রেণীর রাজনীতিক বলে মন্তব্য করেছেন। এরপরেই টুইটার বেছে নেন ট্রাম্প। নিজেই ভয়াবহতার (মেল্টডাউন) মধ্যে রয়েছেন পেলোসি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ট্রাম্প আরো যোগ করেন, ডেমোক্রেট এই নেতার দ্রুত সাহায্য প্রয়োজন।

তড়িঘড়ি করে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কারণে ওয়াশিংটনে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের কাছ থেকে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার সবুজ সংকেত দেয়ার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন। বুধবার দিনের শুরুতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সিদ্ধান্ত আমাকে বিস্মিত করেনি। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এমনটা (অভিযান চালানো) করতে চাইছিলেন। তিনি সিরিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করছিলেন অনেক দিন ধরে।

তুরস্কে হামলার মুখে মিত্র কুর্দিদের ফেলে আসার বিষয় অবজ্ঞা করেন ট্রাম্প। কুর্দিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা তো ফেরেশতা নন। তার এমন কথায় রিপাবলিকানরাও সমালোচনা করেছেন। এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি তো তাকে (এরদোগান) সবুজ সংকেত দিই নি। তাকে দিয়েছি সবুজ সংকেতের বিপরীতটা। কথোপকথনের পর আমি একটি চিঠি লিখেছি। এটি খুব শক্তিশালী চিঠি।
৯ই অক্টোবর এরদোগানকে লেখা ওই চিঠিতে ট্রাম্প বলেছেন, হাজার হাজার মানুষ হত্যার জন্য আপনি দায়ী হতে চান নি। এ ছাড়া চিঠিতে তিনি এরদোগানকে ‘টাফ গাই’ না হতে বলেন। বলেন, এমনটা হলে তিনি বোকা হবেন।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর