× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

নদী দখলের তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করবে মন্ত্রণালয়

দেশ বিদেশ

সংসদ রিপোর্টার | ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৩

 নদী দখলের সঠিক খবর বা সংবাদদাতাকে পুরস্কৃত করবে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নদী দখল বন্ধে এই উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এছাড়া নদী থেকে পলিথিন সরানোর জন্য ৬টি রিভার ক্লিনিং ভেসেলসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এতথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের ওই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ সংস্থায় নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে ভুল-ত্রুটি এড়াতে ও সফলতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় কমিটির পরামর্শ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম-এর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য শাজাহান খান, মজাহারুল হক প্রধান, রণজিৎ কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, আছলাম হোসেন সওদাগর ও এস এম শাহজাদা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের জানান, দখলদারদের কারণে বাংলাদেশের নদীগুলো হুমকির মুখে।
এ ব্যাপারে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে তেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কমিটির তৃতীয় বৈঠকে নদী দখলের খবর দাতাকে পুরষ্কার দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে। কমিটি ওই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। সংসদীয় কমিটির সভাপতি আরো জানান, আগামীতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ সংস্থার স্পর্শকাতর বা গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো গ্রহণ করার আগে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে পরামর্শের সুপারিশ করা হয়েছে। কারণ, এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে কাজের ভুল-ত্রুটি অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে ওই প্রকল্পটির কাজের সফলতা অর্জন সহজ হবে। সকল মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কমিটি বৈঠকে উত্থাপিত কার্যপত্রের তথ্যমতে, সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নদী খনন এবং নদীর তলদেশে থাকা পলিথিন ও আবর্জনা প্রথমে সরানোর জন্য ইতিমধ্যে বিআইডব্লিউটিএ্থর জন্য ২টি উদ্ধারকারী জলযান, ৬টি রিভার ক্লিনিং ভেসেলসহ বিভিন্ন ধরনের ৬১টি সার্ভিস জাহাজ এবং বিভিন্ন ধরনের ১৩২টি পন্টুন সংগ্রহ করা হবে। এ বিষয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বুয়েট সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রম খতিয়ে দেখছে। বৈঠকে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় নদী ড্রেজিংসহ নদীর তীর রক্ষার্থে ওয়াক-ওয়ে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় এলাকায় রাতে যাতায়াতের সুবিধার্থে চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ চ্যানেলে বয়াবাতি স্থাপনের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর