× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরার হত্যার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৪

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় মর্মাহত হয়েছি। কারণ সে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। একই সঙ্গে আবরারকে হত্যায় জড়িত অভিযোগে বুয়েটের যে ২০ জন শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে খারাপ লাগছে। কারণ যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তারাও মেধাবী ছিল। একটা ছেলেকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসতে কী পরিমাণ কষ্ট হয়েছে তা তার বাবা-মা ভালো বলতে পারবে। শামীম ওসমান বলেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরারকে হত্যার পর থানায় মামলা হওয়ার আগেই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অতীতে শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড আরো হয়েছে। কিন্তু কোনো ঘটনার বিচার আজও হয়নি।
কিন্তু শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরার হত্যার পর দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়।
গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন। ওই সময় শামীম ওসমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীরা আবরারের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করে।
শামীম ওসমান বলেন, অভিযোগের আঙ্গুল তোলা সহজ। কিন্তু প্রমাণ করা কঠিন। গুটি কয়েক ব্যক্তির অপরাধের দায়িত্ব সংগঠন বহন করবে না। নারায়ণগঞ্জের শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালিয়ে বলেন, তোলারাম কলেজে নাকি টর্চার সেল রয়েছে। বিষয়টি জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাতেও উত্থাপিত হয়েছে। তখন কলেজের অধ্যক্ষ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে সবাইকে নিয়ে তোলারাম কলেজে আসেন, দেখেন কোনো টর্চার সেল রয়েছে কিনা।
তাহলে যারা অভিযোগ করছেন তারা তো আর আফগানিস্তান থেকে আসেন নাই। তারা আমার চেয়ে জ্ঞানী মানুষ। তাদের নামের আগে অনেক বিশেষণ আছে। কেউ সাহিত্যিক কেউ কবি ইত্যাদি।’
শামীম ওসমান বলেন, আপনি এতো স্বার্থপর, এতো জঘন্য! আপনি এতো নিচু মানসিকতার লোক! যে আপনি আপনার সন্তানদের টাইটেল দিয়ে দিচ্ছেন খুনি, গুণ্ডা, মাস্তান। একবার চিন্তা করেন তো, যদি এই ছাত্ররা আমাদের আমলের ৮১ সনের ছাত্র হতো আপনার বাড়ির ইট থাকতো কিনা এখন পর্যন্ত। আমাদের সময়ের ছাত্র হলে তো বাড়ির ইট থাকার কথা না। গিয়ে বলতো, ওই আমাদের সন্ত্রাসী বললি কেন?
শামীম ওসমান বলেন, তোলারাম কলেজের ২০ হাজার ছাত্র যদি রাস্তায় বের হয়। মহিলা কলেজেও ১০ হাজার আছে। নারায়ণগঞ্জ কলেজেও ১০-১৫ হাজার ছাত্র আছে। যদি সবাই মিলে রাস্তায় নেমে বলে শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে মিথ্যা বললি কেন? কে আপনাদের রক্ষা করবে? আমাদের বাচ্চাদের আঘাত কইরেন না। এতে আপনার বাচ্চা আঘাতপ্রাপ্ত হবে। ভুল থাকতে পারে। সংশোধন করেন। আপনার মতামত থাকতে পারে। সেই মতামত বলেন।’
তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রানী সিংহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শামীম ওসমানে স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ লেডিস ক্লাবের সভাপতি সালমা ওসমান লিপি, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ মো. আমিনুল ইসলাম, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিরিন আক্তার, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ মোদক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জামাল
১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৭

সব ভাল কাজ ভাল কথা আওয়ামী লিগ বলে ও করে। ওখানে ৭খুন। তকি কে মারল কারা? বিচার উপরে যে আছেন তিনি করবেন

Shaeen Syed
১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১২:৫০

আপনি অনেক বেশী সত্যি কথা বলে ফেললেন যে? ত্বকি হত্যার ক্ষেত্রেও তেমনি ঘটেছিল তাই না?

মাসুম
১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৭

তৌকীর হত্যার বিচার কেন হলো না , দয়া করে বলবেন কি ?

অন্যান্য খবর