× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

দেশে বার্ষিক লিফটের চাহিদা ৩ হাজার ইউনিট

দেশ বিদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, ৮:৪৫

দেশে বার্ষিক লিফটের চাহিদা ৩ হাজার ইউনিটেরও বেশি। আর এ পরিমাণ লিফট বা কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানিতে ব্যয় হয় আনুমানিক ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া বাংলাদেশেও বিশ্বমানের লিফট বা এলিভেটর তৈরি হচ্ছে। এসব লিফট বাণিজ্যিকভাবে বিক্রিও করা হচ্ছে। এতে একদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দেশীয় ভারী শিল্পপণ্য উৎপাদনে গতি এসেছে। এ খাতে তৈরি হচ্ছে দক্ষ জনবল। দেশীয় উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশেই বিশ্বমানের লিফট তৈরি হওয়ায় বিদেশ থেকে লিফট আমদানি করার প্রয়োজন নেই। কারণ, দেশেই পাওয়া যাচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যে শিক্ষা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক ভবনসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যাধুনিক লিফট। কিন্তু আমদানি করা হলে দেশীয় শিল্প হুমকির মধ্যে পড়বে। আর আমদানি করা লিফটের তুলনায় দেশেই তৈরি করা লিফট পাওয়া যাচ্ছে প্রায় অর্ধেক মূল্যে। এসব কারণে লিফট কেনায় বিদেশ নির্ভরতা কমবে বলে মনে করেন তারা। জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে রয়েছে দুই ধরনের ওয়ালটন লিফট। প্যাসেঞ্জার লিফট এবং কার্গো লিফট। প্যাসেঞ্জার লিফট ৩০০ কেজি থেকে ৩ হাজার কেজি পর্যন্ত। এসব লিফটে ৪ থেকে ৪০ জন প্যাসেঞ্জার বহন করা যায়। অন্যদিকে, কার্গো লিফটের ধারণক্ষমতা ৮০০ কেজি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কেজি পর্যন্ত। এর মধ্যে একমাত্র ওয়ালটন ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে বিশ্বমানের লিফট বা এলিভেটর তৈরি করছে। এসব লিফট নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছে তারা। অত্যাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ওয়ালটন লিফট দামে সাশ্রয়ী। এছাড়া ৫ বছরের কিস্তি সুবিধার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে নিজস্ব সার্ভিস টিম। আছে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা। অন্যদিকে, প্রাণ-আরএফএলসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ এনে অ্যাসেম্বেলিং করে লিফট বাজারজাত করছে।
ওয়ালটন লিফট বিভাগের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সোহেল রানা বলেন, ২০১৪ সালে দেশেই লিফট তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করে ওয়ালটন। সে অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণ, গবেষণা ও মান উন্নয়ন বিভাগ, ইউরোপ-আমেরিকা থেকে আনা অত্যাধুনিক মেশিনারিজ স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। লিফটের ডিজাইন, উৎপাদন এবং ইন্সটলেশনে নিযুক্ত আছেন দক্ষ একঝাঁক দেশীয় প্রকৌশলী, ডিজাইনার এবং টেকনিশিয়ান। ওয়ালটনের কারখানা এবং করপোরেট অফিস ভবনসহ সব ধরনের স্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে নিজেদের তৈরি লিফট। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে লিফট বিক্রি করছে ওয়ালটন।
ওয়ালটনের লিফটে রয়েছে ডোর লোড ডিটেক্টর, ওভার লোড সেন্সর এবং এআরডি এর মতো তিনটি অত্যাধুনিক ফিচার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর