× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

বাংলাদেশি পর্যটকদের ভারতে পৌঁছামাত্র ভিসা দেবার আহ্বান

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৪ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৬

আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত প্রথম ভারত-বাংলাদেশ স্টেক হোল্ডারদের বৈঠক থেকে বাংলাদেশি পর্যটকদের ভারতে, বিশেষ করে আসামে আসার জন্য অন-অ্যারাইভাল (পৌঁছামাত্র) ভিসা দেবার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ১৯৬৫ সালের আগে দুই দেশের মধ্যে যে সব সড়ক, রেল ও নদীপথে বাণিজ্য হতো সেগুলো চালু করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার এ বৈঠকটি শেষ হয়েছে। বাংলাদেশের নৌ চলাচল বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল সামাদ বলেছেন, সৌদি আরবের মতো দেশও অ্যারাইভাল ভিসা দেবার বিষয়ে ভাবছে, সেখানে বাংলাদেশি যেসব পর্যটক নদীপথে ভারতে যেতে ইচ্ছুক তাদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেবার ব্যবস্থা করা উচিত। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই ভারত সরকারের বিবেচনার উপর নির্ভর  করছে। এই বৈঠক থেকে বৃটিশ আমলে চালু সড়ক, নৌ ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের পুনর্গঠনের কাজ চলছে পুরোদমে। অন্যদিকে বাংলাদেশে নদীগুলোকে জাহাজ ও বার্জ চলাচলের উপযোগী করে তুলতে ব্যাপক ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে।
এই ড্রেজিং কাজের জন্য ভারত ৮০ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আসামের সঙ্গে পণ্য ও মাল পরিবহনের জন্য তিনশ থেকে পাঁচশ টন ক্ষমতা সম্পন্ন ৫০টি বার্জ চালাবে। আগামী একবছরের মধ্যেই এটি করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মতলুব আহমদ। জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ, ভারত ও আসামের প্রতিনিধিদের নিয়ে বাণিজ্যবৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে থাকবেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। ভারতের খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের আসামে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র খোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ফুডপার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এই সব ফুডপার্কে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশি শিল্পোদ্যোগীদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর