× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

নেপালে বাস নদীতে পড়ে শিশুসহ নিহত ১৭

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৪ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১১:০২

নেপালে একটি যাত্রীবাহী বাস পাহাড়ি হাইওয়ে থেকে ছিটকে নদীতে পড়ে গিয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৫০ জন। নিহতদের মধ্যে সাত শিশু ছিল। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই রোববার হাইওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বাসটি। স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।

খবরে বলা হয়, রোববার কাঠমান্ডু থেকে ১২০ কিলোমিটার পূবে সিন্ধুপালচক জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসের যাত্রীরা বেশিরভাগই তিহার (দীপাবলি) উৎসব শেষে কাজে যোগ দেয়ার জন্য শহরে ফিরছিলেন। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মাধব কাফলে জানান, নদীতে ছিটকে পড়ার আগ দিয়ে বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
যাত্রীরা আচমকা একটি বিকট আওয়াজ শোনেন। এর পরপরই বাসটির ‘স্টিয়ারিং’ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যাত্রীসহ সোজা সুনকোশি নদীতে গিয়ে পড়ে গাড়িটি। তিনি জানান, আহতদের মধ্যে ২১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নেপালে বাস দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। মূলত পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর গাড়ির কন্ডিশন এবং দুর্গম ও মেরামতহীন রাস্তাই এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ। গত মাসে অপর একটি বাস নদীতে পড়ে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন শতাধিক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
৩ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, ১১:২৪

My sincere sympathy for family members of all victims. This is pathetic. In developing countries no body respect rule of capacity, due to shortage of vehicles or other words insufficient assets. But population is too high to accommodate in limited vehicles available. Public can't avoid ride of overloaded buses.

অন্যান্য খবর