× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

বিএনপি থেকে মোরশেদ খানের পদত্যাগ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ১২:৫৭

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান বিএনপি থেকে পদত্যাগ করছেন। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত চট্টগ্রামের এই জনপ্রিয় নেতা বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। তিনি শুধু ভাইস চেয়ারম্যান থেকেই নয়, বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তার নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাধ্যমে কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পদত্যাগ পত্রে মোরশেদ খান বিএনপি নেত্রীকে লিখেছেন, আজ অনেকটা দুঃখ ও বেদনাক্লান্ত হৃদয়ে আমার এই পত্রের অবতারণা। মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমার বিবেচনায়, সে ক্ষণটি বর্তমানে উপস্থিত এবং উপযুক্তও বটে। মোরশেদ খান ১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯১ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এর পর চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সাল, এর পর জুন ’৯৬ এবং ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিশেষ দূত ছিলেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্পেশাল কমিটি অন ফরেন অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যানও ছিলেন। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত জোট সরকারের আমলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
milonnur
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৭:৩১

এরা চরিত্রহীন রাজনীতিক।

ahammad
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ১০:৩২

তিনি হচ্ছেন সুসময়ের পাখি। তারমত সুবিধাবাদীদের আর ও আগেই দল থেকে বেরকরে েদওয়া উচিৎ ছিল।

ফারুক হোসেন
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৭:৫১

এইসব সুসময়ের কোকিল যত তাড়াতারি দূর হবে ততই মঙ্গল। জাতীয়পার্টি হতে বিএনপিতে এসেছেন সুবিধাভোগ করতে আর হালুয়ারুটির জন্য। উনি বিএনপিকে যা দিয়েছেন বিএনপি তারচাইতে অনেক বেশি দিয়েছেন উনাকে।

মাসুম
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৩:৩৭

উনি বিএনপি আমলে সব মধুই খেয়েছেন । মোবাইল ফোনের একক সত্তে শত শত কোটি টাকা বানিয়েছেন । হাওয়া ভবনের দুর্গন্ধ যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিলো তখন তিনি ননের সুখে মন্ত্রীত্ব করেছেন । তখন উনার মনে কোন নীতি নৈতিকতা ও মুল্যবোধ কাজ করেনি ।

nasir uddin
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৩:৪৩

জামাতে ইসলামীর মতো সুশৃঙ্খলতা বাংলাদেশের সব পার্টিটা তাকলে আপনাদের মত লোক মন্ত্রী তো দূরে থাক. কোনো পাটির কর্মীও হতে পারতেন না.

নুরুল কালাম
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ২:০৭

ভালোই হলো, এই সব নেতাদের মাটে ময়দানে কোন ভুমিকা নেই এরা সুবিধা বাদী এদের দলে না রাকাই ভাল।

ওসমান গনী
৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, ১২:১১

যে কোন দলেই সুবিধাবাদিরা ক্ষতিকর ছাড়া উপকার নহে।

Mustafa Ahsan
৫ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:০৭

উত্তম কাজ হয়েছে ,একজন সুবিধাবাদি দল থেকে কমলো ।এরখম যত সারথোপর লোকজন বিএনপি ছাড়বে তত দল শক্তি শালি হবে ।এই মোর্শেদ খানের জন্য বিএনপি কিনা করেছে ,একচেটিয়া সেলফোন (সিটি সেল)ব্যাবসা ,এবি ব্যংকের মাধ্যমে উনাকে বেসরকারী ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া থেকে বিভিন্ন ব্যবসা একচেটিয়া করার সুযোগ করে দেওয়া কি না বিএনপিতে থেকে করেছেন। এখন যখন দেখছেন পারটি খমতার বাইরে বিশেষ সুযোগ নেওয়া যাচ্ছে না তখন দল ছেড়ে দিচ্ছেন। আল্লাহ যা করেন তা ভালোর জন্য করেন যত সুবিধা বাদিরা দল ছাড়বে তত বিএনপির জন্য ভাল।এদেরও ফালুর মত সম্পদ বাজেয়াপত করা হোক।

আব্দুল জব্বার
৫ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:১৯

নিজের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে প্রধান্য দিলে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি বাদ দেয়াই উচিৎ।

ahammad
৫ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১:২৪

এই সব সুবিধাবাজদের জন্যই দলের আজ এই পরিনতি। জনাব,গ্রীনসিগনাল পেলেন নাকি ???

অন্যান্য খবর