× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

অস্ত্র মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৩৪

ক্যাসিনো কাণ্ডে গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের হেফাজত থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের কোনো বৈধ কাগজ পায়নি র‌্যাব। এ ব্যাপারে অস্ত্র আইনে সম্রাটকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন র‌্যাব’র তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে গতকাল এ চার্জশিট জমা দেন। রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এসআই মো. নিজাম উদ্দিন বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে আটক করা হয়। আটকের সময় আরমান মাদকাসক্ত থাকায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই সময় সম্রাট জানান, ঢাকার কাকরাইলে তার রাজনৈতিক অফিসে অনেক মাদক ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রয়েছে। সম্রাটের দেয়া তথ্য মতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বেলা ১টার দিকে আসামির কাকরাইল অফিসের চতুর্থ তলায় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।

চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই ফ্ল্যাটের উত্তর দিকের পশ্চিম পাশের বেড রুমের বিছানায় তোষকের নিচ থেকে একটি ৭.৬৫ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন আনুমানিক সাড়ে চার ইঞ্চি লম্বা, পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি, রুম থেকে দুটি ইলেকট্রিক মেশিন ও দুটি লাঠি উদ্ধার করা হয়।
লাইসেন্স বিহীন অস্ত্র নিজ হেফাজতে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখায় তার বিরুদ্ধে আনা অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সম্রাট। গত ৬ই অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ বিষয়ে র‌্যাব-১’র ডিএডি আব্দুল খালেক বাদি হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলা দুটিতে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে। গত ৭ই অক্টোবর রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। গত ১৫ই অক্টোবর অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ২৪শে অক্টোবর রিমান্ড শেষে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর