× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেন প্রয়াত

দেশ বিদেশ

কলকাতা প্রতিনিধি | ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৮:২৫

সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেন প্রয়াত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দক্ষিণ কলকাতায় নিজ  বাসাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দুই কন্যা অন্তরা ও নন্দনাসহ অগণিত গুনমুগ্ধ পাঠক রেখে তিনি বিদায় নিয়েছেন। দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েও শেষদিন পর্যন্ত দৃঢ় মনোবল ধরে রেখেছিলেন নবনীতা। নিয়মিত লেখালেখিও করে গিয়েছেন। রাধারানি দেবী ও নরেন্দ্রনাথ দেবের কন্যা নবনীতার জন্ম কলকাতাতেই ১৯৩৮ সালের ১৩ই জানুয়ারি। নবনীতা ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক ও ভ্রমণ কাহিনীর লেখক।
অনেক রূপকথাও লিখেছেন তিনি। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল ১৯৫৯ সালে। ১৯৭৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। নবনীতা ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদও। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য বিভাগের তিনি ছিলেন জনপ্রিয় অধ্যাপক। পড়িয়েছেন বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়েও। ১৯৯৯ সালে তিনি পেয়েছিলেন সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার। ২০০০ সালে পেয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘পদ্মশ্রী’। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম প্রত্যয়’। আর ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘আমি অনুপম’। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় লেখালেখিতে নবনীতা ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তিনি দীর্ঘদিন ‘রামকথা’ নিয়ে কাজ করছেন। সীতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তিনি রামকথার বিশ্লেষণ করেছেন। ‘চন্দ্রাবতী রামায়ণ’ তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নবনীতা দেবসেনের মৃত্যুতে সাহিত্য জগতে শূন্যতা সুষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন লেখক-শিল্পীরা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকবার্তায় লিখেছেন, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ নবনীতা দেবসেনের প্রয়াণে সাহিত্য জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর