× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার

রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মী নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে | ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:০৯

 রাজশাহীতে পশ্চিমাঞ্চল রেলের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী সানোয়ার হোসেন রাসেল (৩০) নিহতের ঘটনায় পুলিশ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার রাতে নগরের শিরোইল কলোনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। এদিকে, রাজশাহীর টেন্ডারবাজ ও মদদদাতাদের সতর্ক করেছেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তার নিজের ফেসবুকে পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে সতর্ক করেন তিনি। দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘রাজশাহীতে টেন্ডারবাজি বন্ধ হতে হবে। আর যারা মদত দেন তাদেরকে মদত দেয়া বন্ধ করতে হবে, অনতিবিলম্বে। নেত্রীর বার্তা যদি আপনারা বুঝে না থাকেন তাহলে তার পরিণতি আপনাদেরকেই ভোগ করতে হবে।’ বুধবার দুপুরে রাজশাহী রেল ভবনে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে সানোয়ার হোসেন রাসেল নামের এক যুবলীগ নেতা নিহত হন।
এ সময় তার ভাই বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজাসহ আহত হন অন্তত পাঁচজন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনায় বুধবার রাতে চন্দ্রিমা থানায় রাসেল ভাই মনোয়ার হোসেন রনি বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রিমা থানার ওসি গোলাম মোস্তফা। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নগরীর শিরোইল কলোনী এলাকার বুলবুল হোসেনের ছেলে আসামী রাব্বি (২৫), জয়নালের ছেলে বাপ্পি (১৯), নূর মোহাম্মদ সরদারের ছেলে শাহিন (২৪), মানিকের ছেলে শুভ (২১), বাবু ইসলামের ছেলে চঞ্চল (১৯), জালাল উদ্দিনের ছেলে কলাম উদ্দিন (১৯), আবুল কালাম চৌধুরীর ছেলে মোজাহিদুল ইসলাম অভ্র (১৯)। ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বুধবার রাতে নগরীর শিরোইল কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই সৈনিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানান তিনি। তিনি জানান, রেলভবনের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিহত রাসেলের ভাই আনোয়ার হোসেন রাজার সঙ্গে মহানগর সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন আলীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দুপুরে রেল ভবনের সামনে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধা। এ সময় রাসেলসহ পাঁচজন আহত হন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল মারা যান। নিহত রাসেল মহানগর যুবলীগের সদস্য। তার বাড়ি নগরীর বাস্তুহারা এলাকায়। রাসেলের বাবার নাম মৃত আবুল কাশেম। সংঘর্ষের সময় রাসেলের পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল বলে জানান ওসি গোলাম মোস্তফা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর