× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার

পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপনকে প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৭:৩৯

ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডীয় অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সেখানে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।  সমপ্রতি পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ঘোষণার পরই বাংলাদেশ সরকার নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করলো। বৃহসপতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনটা বলা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)-এর বিভিন্ন প্রস্তাবনা মোতাবেক ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি এবং ইউএনএসসিআর ২৪২, ৩৩৮, ৪২৫, ১৩৯৭, ১৫১৫ ও ১৫৪৪ সহ অন্যান্য প্রস্তাবনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি অটল সমর্থন প্রকাশ করছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন (ইউএনজিএ) ও মানবাধিকার পরিষদ (এইচআরসি)  দিকে ইঙ্গিত করে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদ, ইউএনজিএ, এইচআরসি ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালত সকল পক্ষই আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে দখলীকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের বসতি নির্মাণ ও সমপ্রসারণকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলে, বাংলাদেশ এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের আইনি স্ট্যাটাস নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। বসতি স্থাপন ও দখলদারিত্বের সমালোচনার পাশাপাশি ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতেও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বলেছে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের জন্মভূমির প্রতি যে অবিচ্ছেদ্য অধিকার রয়েছে তার প্রতি ফের সমর্থন প্রকাশ করছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার দখলীকৃত পশ্চিম তীরে ভূখণ্ডে ইসরাইলি বসতি স্থাপন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পাল্টায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় চার দশক ধরে তারা ওই বসতি স্থাপনকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। ১৯৭৮ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের আইনি মতামতে এই বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। পরবর্তী সকল মার্কিন সরকার সে দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখেছে। তবে সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পমেপও জানিয়েছেন, এখন থেকে সেগুলো বৈধ হিসেবেই বিবেচিত হবে তাদের কাছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইসরাইল। তখন থেকে বর্তমান পর্যন্ত ওই অঞ্চলগুলোয় শতাধিক বসতি স্থাপন করা হয়েছে। সেগুলোয় বাস করছে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ইসরাইলি ইহুদি। ফিলিস্তিনি এই অঞ্চল দু’টো ও গাজা উপত্যকাকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম উভয়ই ইসরাইলের দখলীকৃত অঞ্চল। সেখানে সকল ধরনের ইহুদি স্থাপনা নির্মাণ অবৈধ হিসেবে বিবেচিত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর