× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

রুম্পা হত্যা: উত্তাল স্টামফোর্ড

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ২:০৬

সিদ্ধেশ্বরী থেকে উদ্ধার হওয়া রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় উত্তাল স্টাম্পফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও হত্যাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মসূচি পালন করছে তারা। রুম্পা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডি ও সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, রুম্পা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যা রহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত যারা তাদের যেন দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।

পাশাপাশি এ আন্দোলন প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যেন সব শিক্ষার্থী ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

মানববন্ধনে রুম্পার সহপাঠীরা বলেন, আর যেন কোনো রুম্পাকে এভাবে মরতে না হয়। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র বিচার মৃত্যুদণ্ড।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলেই পরে আমরা রক্ষা পাবো, না হলে এরকম নির্মম হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম মাছুম বলেন, শুরু থেকেই এ হত্যাকাণ্ড অন্যদিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফেনীর নুসরাত হত্যার ঘটনাও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হয়েছিলো। অন্য কোনো ইস্যুতে যেন রুম্পা হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা না পড়ে সেদিকে নজর দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চারদিকে এত হত্যা, খুন-ধর্ষণের ভিড়ে আমরা শুধু স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই, আর কিছু নয়।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ১৯ থেকে ১৫ নম্বর পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর ৬৪/৪ নম্বর বাসার নিচে ওই ছাত্রীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। যে জায়গায় এ ঘটনা, তার আশপাশে বেশকিছু ছেলে ও মেয়েদের হোস্টেল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হত্যার আলামত সংগ্রহ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর