× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার

সুচি তখন হাসছিলেন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১:১৯

হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি। এর আগে রোববার তিনি রাজধানী ন্যাপিড’তে বিমানে আরোহণ করেন হেগের উদ্দেশ্যে। আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন এতে যেন তিনি বিন্দুমাত্রও বিচলিত নন। তাকে বিমানে আরোহণের আগে দেখা গেছে কর্মকর্তা পরিবেষ্টিত, হাস্যোজ্বল। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যাল্যঘুদের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় দেশের হয়ে লড়াই করতে তিনি হেগের উদ্দেশে যারা করেন এদিন। রোহিঙ্গা নির্যাতনের সময়ে তিনি ছিলেন একেবারে নীরব। অনেকটা পরে এসে মুখ খুলেছেন। তাতেও তিনি সেনাবাহিনীর পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন, যে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালিয়েছে নৃশংসতা।
এর ফলে বাধ্য হয়ে কমপক্ষে ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এ জন্য মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্ষোভ আকাশচুম্বী। ব্যক্তি অং সান সুচির ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তাকে দেয়া আন্তর্জাতিক বহু স্বীকৃতি, পদক কেড়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু দেশের ভিতর তিনি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তিনি দেশ ছাড়ার একদিন আগে ন্যাপিডতে তার সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ র‌্যালি করেছে। তার নামে হয়েছে প্রার্থনাসভা। ইয়াঙ্গুন থেকে এ কথা লিখেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এতে আরো বলা হয়েছে, ১০ই ডিসেম্বর থেকে তিনদিন অর্থাৎ ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আইসিজেতে শুনানি হওয়ার সময়ে বিক্ষোভ প্রতিবাদ আয়োজন করা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে গিয়েছেন বেশ কয়েক ডজন সমর্থক। সেখানে তারা সুচির গুণগান করবেন। ওই সমর্থকদের একজন আয়োজক তিন অং থেইন। তিনি ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে রয়টার্সকে বলেছেন, আমি মা সু’তে বিশ্বাস করি। তাকে ভালবাসি। বিশ্ব সত্য জানুক এটা আমি চাই। ভুয়া খবরের কারণে আমার দেশ মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এই তিন দিনের শুনানিতে গাম্বিয়া জাতিসংঘের ১৬ বিচারকের প্যানেলের কাছে আবেদন জানাবে পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরুর আগে রোহিঙ্গাদের রক্ষার জন্য অস্থায়ী একটি পদক্ষেপ নিতে।

শনিবার ন্যাপিডতে হাজার হাজার মানুষ র‌্যালি করেছেন সুচির পক্ষে। অন্যদিকে পুরনো রাজধানী ইয়াঙ্গুনের হলি ট্রিনিটি ক্যাথেড্রালে প্রার্থনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন সিনিয়র কিছু কর্মকর্তা। তার মধ্যে ছিলেন ধর্মমন্ত্রী থুরা অং কো। তিনি গত বছর সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। বলেছিলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের ক্যাম্পের ভিতর ব্রেনওয়াশ করা হচ্ছে।

ওদিকে হেগে যাত্রার আগে সুচি মিটিং করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে। এতে দুই দেশই শক্তিশালী বন্ধনের প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। এ তথ্য দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিভাগের উপ মহাপরিচালক ঝাও লিজিয়ান। তিনি রোববার টুইটারে বলেছেন, শক্তিশালী সমর্থন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সহায়তা দেয়ার জন্য চীনের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন অং সান সুচি। এ ছাড়া বিদেশীদের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ধন্যবাদ জানিয়েছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা ও সমর্থনের জন্য।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
mamun
১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, ৪:৩২

She is the main culprit.

Abdus Salam
৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৮:০৭

She is like Netanyahu

অন্যান্য খবর