× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার

বৃহস্পতিবার বৃটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১:৫৭

ব্রেক্সিট নিয়ে নানা নাটকীয়তার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটানোর জন্য আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বৃটেন। আগামী ১২ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার এই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত পক্ষ, প্রতিপক্ষ। এই নির্বাচন বলে দেবে ইউরোপিয় ইউনয়ন ছাড়ার পক্ষে গণভোটের সাড়ে তিন বছর পরে কিভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়বে বৃটেন অথবা আদৌ ছাড়বে কিনা। এই ব্রেক্সিট ইস্যুতে বিভক্ত বৃটিশ জনমত। সেই নির্বাচনে মুখোমুখি প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি এবং জেরেমি করবিনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি। তারা অচলাবস্থা নিরসনে ভিন্ন ভিন্ন প্রস্তাবনা এরই মধ্যে তুলে ধরেছেন ভোটারদের সামনে। ফলে এ প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে তাদের মতামত জানিয়ে দেবেন ভোটাররা। এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।


তাতে বলা হয়েছে, এবার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রেক্সিট, অর্থনৈতিক মন্দা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবার নিশ্চয়তা, জলবায়ু সঙ্কট এবং আইন শৃংখলা পরিস্থিতি। নির্বাচনে বৃটিশ পার্লামেনেন্টর নি¤œকক্ষ বলে পরিচিত হাউজ অব কমন্সের ৬৫০ আসনে ভোট হবে। সেখানে অন্য প্রতিযোগীদের চেয়ে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনিই নির্বাচিত হবেন। হাউজ অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে একটি দলকে ৩২৬ আসনে বিজয়ী হতে হবে। যদি এই সংখ্যক আসন কোনো দল পায় তাহলে তাকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাবেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। অন্যদিকে পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ বলে পরিচিত হাউজ অব লর্ডসের সদস্যরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন না। তাদেরকে মনোনয়ন দেয় প্রধান দলগুলো।

হাউজ অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল বৃটেনে সরকার গঠন করে। এর প্রধান থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তিনিই মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের নিয়োগ দেন। তবে যদি কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় তাহলে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হয়। এমন অবস্থায় যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পায় তারা একটি সংখ্যালঘু বা মাইনরিটি সরকার পরিচালনার চেষ্টা করে। এ জন্য তাদের প্রয়োজন হয় ছোট ছোট কিছু দলের সমর্থন। নির্বাচনে বড় দুটি দলের যারাই নির্বাচিত হোন না কেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং জেরেমি করবিনই হবেন বৃটেনের সর্বোচ্চ পদ প্রধানমন্ত্রী পদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। নির্বাচনে বড় রকমের প্রভাব আছে লিবারেল ডেমোক্রেট নেতা জো সোয়াইনসন এবং স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির নেত্রী নিকোলা স্টার্জেনের। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যদি তার কনজারভেটিভ পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তাহলে জানুয়ারির শেষ নাগাদ ব্রেক্সিট সম্পন্ন করবেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর