× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার

খুলনা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আজ বাদ পড়ছে বিতর্কিতরা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:২৬

খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে নতুন মুখ আসছে নেতৃত্বে। তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন বিতর্কিত ও বর্তমান নেতৃত্ব। জেলায় সভাপতি পদে সাবেক এক এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একজন এডভোকেটের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে নগর কমিটিতে বর্তমান সভাপতি ও নগরের অপর এক নেতাকে সাধারণ সম্পাদক পদে আনা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রটি জানিয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে খুলনা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারই প্রথম নগর ও জেলা সম্মেলন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সম্মেলনকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কে আসছেন নেতৃত্বে তাই নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। নগর কমিটিতে সভাপতি পদের জন্য এখন পর্যন্ত অপ্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সভাপতি ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ তালুকদার আব্দুল খালেক। আর সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ মিজানুর রহমান মিজানসহ অন্তত অর্ধডজন প্রার্থী রয়েছেন আলোচনায়। আলোচনার শীর্ষে রয়েছে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম। তবে এ পদটি নিয়ে নানা আলোচনার জন্ম দিলেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা এমডিএ বাবুল রানা সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন বলে দলের একটি সূত্র প্রচার চালাচ্ছেন। ২০১৪ সালের ২৯শে নভেম্বর আওয়ামী লীগ খুলনা মহানগর কমিটির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। সম্মেলন শেষে কাউন্সিল অধিবেশনে তালুকদার আব্দুল খালেককে সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১৯ মাস অপেক্ষার পর ১১ই জুন ৭১ সদস্যের এই কমিটির অনুমোদন দেন দলীয় প্রধান। এদিকে জেলা কমিটিতে আসছে একেবারেই নতুন মুখ। খুলনা-৬ আসনের সাবেক এমপি এডভোকেট সোহরাব আলী সানাকে সভাপতি ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক করার বিষয়ে দলের হাইকমান্ড সম্মত হয়েছে। তবে বর্তমান সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ দলীয় হাইকমান্ডের কাছে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে খুলনা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। সব মিলিয়ে আলোচনার সমাপনী ঘটতে যাচ্ছে আজ।

অন্যদিকে ২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ১০ মাস পর ২০১৬ সালের ২৭শে নভেম্বর ৭০ সদস্যের জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন যথাক্রমে শেখ হারুনুর রশিদ ও এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা। মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুর পর গাজী আব্দুল হাদী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তিনিও মারা গেলে এডভোকেট সুজিত অধিকারী এ পদে আসীন হন।
সম্মেলনের বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল হোসেন বলেন, নুতন মুখও আসতে পারে আবার পুরাতনরাও থাকতে পারে। তবে আমরা কাউন্সিলরদের ওপর ভরসা রাখছি। তাদের মতামতকেই প্রাধান্য দেয়া হবে।
এদিকে সম্মেলন উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা রেখেছে পুলিশ প্রশাসন। প্রায় ৩০-৩৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটবে। সম্মেলনে যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রস্তুত রয়েছে কেএমপি, র‌্যাবসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী। নিরাপত্তার জন্য এক সপ্তাহ আগে থেকেই সম্মেলনস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সম্মেলনের দিন সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো বেশি জোরদার করা হবে বলা হয়েছে কেএমপি’র পক্ষ থেকে। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবও মাঠে থাকছে। নিরাপত্তার বিষয়ে র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক সৈয়দ মোহাম্মদ নুরুস সালেহীন ইউসুফ জানান, ‘সম্মেলন উপলক্ষে সমস্ত এলাকাজুড়ে র‌্যাব-এর কড়া নজরদারি থাকবে। এদিন আমাদের নিয়মিত টহলের অতিরিক্ত পেট্রোল বাহিনী নিয়োজিত রাখা হবে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে আমাদের নিজস্ব গোয়েন্দা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর