× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে আইটি খাতের আয়: জয়

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৯:০১

আইটি খাতের আয় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গার্মেন্ট খাতের আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গতকাল রাজধানীর বিআইসিসি হলে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আজ অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী আইটি খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি ১শ’ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অধিকাংশ আইটি সেবা ইন্টারনেট ভিত্তিক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এ খাতে রপ্তানি হচ্ছে। তাই প্রকৃতপক্ষে কি পরিমাণ রপ্তানি হচ্ছে তা জানা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে আইটি খাত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আনঅফিসিয়ালি অন্তত আরো ১শ’ থেকে ২শ’ কোটি ডলার রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু তা জানা যাচ্ছে না। তাই আমাদের আইটি সেবা গার্মেন্টস শিল্পের রপ্তানি আয়কে ছড়িয়ে যাওয়ার পথেই এগুচ্ছে।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের দেশেও ফাইভ-জি প্রযুক্তি চালু হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান একেএম রহমত উল্লাহ্‌, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লি. এর সিইও ঝাং ঝেং জুন এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব নূর-উর রহমান।
ফাইভ-জি’র গতির সাক্ষী হলো ঢাকা: এদিকে মেলায় সাধারণ মানুষ প্রথমবারের মতো ফাইভ-জি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেলো। এই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে মেলার টাইটেনিয়াম সহযোগী ‘হুয়াওয়ে’। ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই বাংলাদেশে ফাইভ-জি সেবা পরীক্ষায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেছিলো হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। তখন ৮০০ মেগাহর্স স্পেকট্রাম ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৪ জিবি পর্যন্ত ইন্টারনেট গতি পাওয়া গিয়েছিলো। সেখানে এখন মাত্র ১০০ মেগাহর্স স্পেকট্রাম (গতবারের ৮ ভাগের এক ভাগ) ব্যবহার করেই প্রতি সেকেন্ডে ১.৪ জিবি থেকে ১.৭ জিবি পর্যন্ত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হবে। দর্শনার্থীরা গতকাল মেলার উদ্বোধনী দিনেই সেকেন্ডে ১.৬ জিবি গতিতে ডেটা ট্রান্সফারের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ফাইভ-জি’র উন্নয়ন ও গবেষণায় হুয়াওয়ের দীর্ঘ দিনের অবিরাম প্রচেষ্টার ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন বলেন, প্রযুক্তিগত সুবিধাকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গত ২১ বছর ধরে এদেশের আইসিটি ইন্ডাষ্ট্রি,টেলিকম অপারেটর ও স্থানীয় সহযোগীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। এখন ফাইভ-জি চালু হয়েছে এবং হুয়াওয়েও প্রস্তুত। ফাইভ-জি’র গবেষণা ও উন্নয়নে আমরা এক দশক ধরে কাজ করছি, যেখানে গত ১০ বছরে ব্যয় হয়েছে প্রায় চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফাইভ-জি গবেষণা ও উন্নয়নে আমরাই শীর্ষস্থানীয় এবং ২১ হাজারেরও বেশি থ্রিজিপিপি ফাইভ-জি এনআর সমেত ফাইভ-জি পেটেন্টও আমাদের সবচেয়ে বেশি। তিন দিনব্যাপী এই মেলা চলাকালে আগত দর্শনার্থীগণ হুয়াওয়ের প্যাভিলিয়নে সরাসরি ফাইভ-জি স্পিড ও লো-ল্যাটেন্সি অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন। এছাড়াও আকর্ষণ হিসেবে থাকছে,বিশেষ একটি রোবট,যাকে হাতের ইশারায় পরিচালনা করে ফুটবল খেলা যাবে। ফাইভ-জি প্রযুক্তিতে কত দ্রুত হিউম্যান টু মেশিন কিংবা মেশিন টু মেশিন কমিউনিকেশন সম্ভব তা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন। পাশাপাশি আরও একটি প্লে-জোন থাকছে যেখানে সবাই ফাইভ-জি প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ভি-আর উপভোগ করতে পারবেন। ৫-জি ভি-আর পরার সাথে সাথেই অংশগ্রহণকারী নিজেকে খুঁজে পাবেন স্কিইরত অবস্থায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর