× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার
স্মরণ সভায় বক্তারা

তালুকদার মনিরুজ্জামান একটি আদর্শ রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখতেন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ৩:৪২

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জাতীয় অধ্যাপক ড. তালুকদার মনিরুজ্জামানের স্মরণ সভায় বক্তারা বলেছেন, তিনি ছিলেন পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র চিন্তক, গবেষক। তার গবেষণা ও কর্মে তিনি একটি আদর্শ রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। শেষ জীবনে তিনি নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নিয়ে ছিলেন হয়তো কোন কারণে। হয়তো তার চিন্তার বাংলাদেশকে তিনি দেখতে পেতেন না এজন্য তিনি অনেকটা আড়ালে ছিলেন। তার চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে শূন্যতা সৃষ্টি করবে। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন হলে এই স্মরণ সভার আয়োজন করে তালুকদার মনিরুজ্জামান নাগরিক স্মরণসভা কমিটি।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদের আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম আকবর আলি খান, ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সায়ীদ, এহসানুল হক মিলন, অধ্যাপক সি আর আবরার, অধ্যাপক শামসুল আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম সভা সঞ্চালনা করেন।
 

স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তালুকদার মনিরুজ্জামান সাহেবরা সব সময় আসেন না। পৃথিবীতে খুব ক্ষণজন্মা পুরুষ তারা। তিনি বলেন, আজকে যে রাষ্ট্র আমরা সবাই মিলে তৈরি করেছি এটাতো একটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ বিষয়টি তালুকদার মনিরুজ্জামান সাহেবের নিশ্চয় একটা দুঃখের কারণ ছিল। এরপরে যে তিনি খুব একটা জনসম্মুখে আসতেন না, জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন তার অন্যতম কারণ ছিল এটা। তিনি বলেন, আজকে আমরা যে রাষ্ট্র তৈরি করেছি সেখানে মানুষের কোন অধিকার নেই। সাধারণ মানুষ তারা একেবারে সাধারণ হয়ে গেছে। যে চিন্তা নিয়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম সেই চিন্তা, চেতনা, ধারণাগুলো এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আজকে যারা শাসকগোষ্ঠী তারা খুব সচেতনভাবেই দেশটাকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে। খুব দুঃখ হয় যখন দেখি দেশের যারা গুণী মানুষ আছেন তাদের কথা বলার কারণে কারাগারে পাঠানো হয়। যদিও তারা কোন রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকেন না। তিনি আরো বলেন, যারা লিখেন, কথা বলেন এবং শুভ চিন্তা কাজ করতে চান আজকে তাদেরকেও পর্যুদস্ত করা হচ্ছে। দেশে আজ যারা ভিন্নমত পোষণ করতে চায়, ভিন্ন কথা বলতে চায় তাদেরকে বিভিন্নভাবে নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে, ছিন্ন করা হচ্ছে, নিস্তব্ধ করে ফেলা হচ্ছে। যাই হোক এর মধ্যেই আমাদের উঠে দাঁড়াতে হবে। এরমধ্যেই আমাদের কথা বলতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর